স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: জেলা শাসকের বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই পার্টি অফিসে বসে লকডাউনের সময় বদলের ঘোষণা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এই ঘটনা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যে মৌরসিপাট্টা চলছে বলে সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বৃহস্পতিবার বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডল ঘোষণা করেছিলেন “শুক্রবার ও শনিবার লকডাউন থাকছে না। অগস্টের ২ তারিখ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বীরভূমে আংশিক লকডাউন (বিকেল ৩টে থেকে ১১টা) থাকবে। যত দিন না জেলায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে।” অনুব্রত মণ্ডলের ঘোষণায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। সেপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এইরকম ছোটখাটো জমিদার অনেক আছে, যারা মৌরসিপাট্টা চালাচ্ছে। এরাজ্যে আদৌ আইন আছে কিনা কে চালাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পার্টিই সর্বেসর্বা।” তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “সরকারি কর্মীদের সঙ্গে চাকরের মত ব্যবহার করা হচ্ছে। আইপিএস আইএএসদেরও কোনও সন্মান নেই।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই আবার বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। সেখানে অবশ্য শুক্রবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অর্থাৎ পাঁচ ঘণ্টা জেলার পুরশহর ও অন্য বাজারহাটকে আংশিক লকডাউনের আওতার বাইরে রেখেছে জেলা প্রশাসন। আর শনিবার নিয়ে জেলাশাসকের মন্তব্য, ‘‘অগস্টের এক তারিখ থেকে লকডাউন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে সেটা শুক্রবারই জানাব।’’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে সবিস্তারে তিনি আর কিছু বলতে চাননি।

সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘শিব ঠাকুরের আপন দেশে আইন কানুন সর্বনেশে’ অবস্থা হয়েছে রাজ্যের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ