কলকাতা: আবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের লকডাউন-পদ্ধতির সমালোচনা বিজেপি নেতার। তাঁর মতে, ‘লকডাউনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। সারা দুনিয়ায় লকডাউন চলছে। এখানেও হওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি করা উচিত।’

দেশজুড়ে লাগামছাড়া সংক্রমণ। ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে এবার গত কয়েকদিন ধরে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রতিদিন করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন গোটা দেশে। বাংলাতেও মাত্রাছাড়া সংক্রমণ। প্রতিদিন ৩ হাজারের কাছাকাছি মানুষ নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। সংক্রমণে লাগাম টানতে সপ্তাহে ২ দিন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকারের এই পদক্ষেপেরই কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

রাজনৈতিক বিচার করে রাজ্যে লকডাউন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, ‘মানুষের মনে কনফিউশন তৈরি হচ্ছে। সরকার কোন যুক্তিতে লকডাউন করছে তা জানতে চায় সাধারণ মানুষ। চিন্তা-ভাবনা করে লকডাউন করা উচিত। তাহলে সেটা মানুষ মানবেন এবং তাঁদেরও কাজে অসুবিধা হবে না।’

এরাজ্যে প্রতিদিন হু-হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে রাজ্যের যুক্তি, টেস্ট বহুলাংশে বেড়ে যাওয়ার ফলেই আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগের চেয়ে অনেক বেশি টেস্ট হচ্ছে বাংলায়। বেশি হারে টেস্ট করে দ্রুত সংক্রমিতকে খুঁজে বের করে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই লক্ষ্য সরকারের।

বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়েছে। একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩০০০ জন। শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৪৯ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯২ হাজার ৬১৫। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২,০০৫ জনের।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।