কলকাতা: আবারও রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ফের দুর্নীতির একগুচ্ছ অভিযোগ তুললেন রাজ্য বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফের দিলীপের তোপ, ‘সময়েই বদলা নেব।’

করোনা মোকাবিলায় চলা লকডাউন পর্ব থেকেই রাজ্যে রেশনে নিখরচায় খাদ্যসামগ্রী বিলির প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বাংলায় রেশনে খাদ্যদ্রব্য বণ্টনের ক্ষেত্রে বিস্তর অভিযোগ সামনে আসে।

একাধিক ক্ষেত্রে রেশনে পণ্য বণ্টন নিয়ে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। জেলায়-জেলায় চলে বিক্ষোভ, ভাঙচুর। শাসকদল তৃণমূলের মদতে রাজ্যজুড়ে রেশনে খাদ্য বণ্টনে দুর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ তুলে ময়দানে নামেন বিরোধীরা। যদিও সব অভিযোগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বর্ণনা করে তৃণমূল।

রাজ্যে বেড়ে চলা করোনার সংক্রমণ নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, ‘সময়ে করোনা রোধে রাজ্য সতর্কতা নিলে আজ এই দিন দেখতে হত না।’ এদিকে, রাজ্য যেমন রেশনে খাদ্য বণ্টন করছে ঠিক তেমনি কেন্দ্রও রেশনে চাল-ডাল পাঠাচ্ছে।

এবার সেই খাদ্যসামগ্রী বণ্টন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকটি জায়গায় স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে। যদিও এব্যাপারে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বিজেপিকর্মীদের কেউ দুর্নীতি করছেন বলে জানা নেই। তবে সত্যিই যদি এমন অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তাদের শাস্তি হবে।’

রাজ্যের একাধিক এলাকায় ত্রাণ বিলিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি নেতা-কর্মীদের। একইসঙ্গে দলীয় কর্মসূচি বা জনসংযোগমূলক কর্মসূচিতে গিয়ে গত বুধবার নিউটাউনে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। এপ্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতির হুঁশিয়ারি। ‘সময়ে বদলা নেব।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ