সিউড়ি: আবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকার। একুশের ভোটে রাজ্যে পরিবর্তন না এলে রাজ্যবাসীর হয়রানি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা দিলীপ ঘোষের। এরই পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের একাংশকেও এদিন কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির এই শীর্ষ নেতা।

একুশের বিধানসভা ভোট যতই এগোচ্ছে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ ততই চড়ছে। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি।

অন্যদিকে, সাংগঠনিক ফাঁকফোকর মেরামত করে ফের রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার ব্যাপারে আশাবাদী তৃণমূল। জেলায়-জেলায় চলছে জনসংযোগ বাড়ানোর কাজ। পিছিয়ে নেই বাম-কংগ্রেসও। জোট করে একুশের ভোটে লড়াই করবে বাম-কংগ্রেস।

রাজ্য সরকারকে একাধিক ইস্যুতে এর আগেও আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। সেই ধারা বজায় রেখেই বুধবারো সিউড়ি থেকে রাজ্যকে নিশানা দিলীপ ঘোষের।

শাসকদল তৃণমূলের মদতেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপি রাজ্য সভাপতির। এরই পাশাপাশি রাজ্য সরকারের মদতেই বাংলায় অনুপ্রবেশ বাড়ছে বলেও অভিযোগ এনেছেন দিলীপ ঘোষ।

একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করবে বিজেপি, আশাবাদী দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, ‘‘একুশের বিধানসভা ভোটে রাজ্যে পরিবর্তন না এলে রাজ্যবাসীর দুর্দশা আরও বাড়বে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।