স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূলের দুই মুখপাত্র তথা সাংসদ সৌগত রায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বুড়ো খোকা’ বলে ব্যঙ্গ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ” তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে।’’

রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তাঁর কথায়, “তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন।”

পালটা সৌগত রায় বলেন, “আমি আগেই বলেছি দিলীপবাবু সকালের দিকে একটু আজেবাজে বকেন। আমি ওনার নাম দিয়েছি গবেট দাদা। বা মাথামোটাও বলা যেতে পারে। উনি নিজের লোকসভা কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচনে হেরেছেন। লোককে আবার বলছেন কী?”

মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের ‘দুয়ারে দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অধীনে রাজ্যের প্রতিটি মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেবেন প্রশাসনের কর্মীরা। রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট ১২টি প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হলে তাঁকে দেওয়া হবে প্রকল্পের সুবিধা। এজন্য রাজ্যজুড়ে ৪ পর্যায়ে ২০,০০০ ক্যাম্প হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার সকালে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি – সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না।”

প্রশান্ত কিশোরকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।