কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এবার বর্ষীয়ান তৃণমূল সাসংদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। ‘শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে এক ঝটকায় চুপ হয়ে গিয়েছেন মাস্টারমশাই।’ বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।

গত কয়েকমাসে একাধিকবার দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শেষমেশ রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকেও পদত্যাগ করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দুকে দলে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল।

দিন কয়েক আগেই কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রশান্ত কিশোর, সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু। বৈঠক শেষে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, ‘সব মিটে গিয়েছে। দলেই আছেন শুভেন্দু।’

যদিও তাল কাটে ঠিক তার পরের দিনই। শুভেন্দু অধিকারী নাকি একটি এসএমএস পাঠান সৌগতবাবুকে। ওই এসএমএস-এ নাকি শুভেন্দু লিখেছিলেন, ‘‘আর একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়’’। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে অস্বস্তি রয়েই গেল তৃণমূলের৷

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বারংবারের চেষ্টাতেও বরফ গলেনি৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়দের সঙ্গে বৈঠকের পর নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে দিন চারেক সময় চেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তার আগেই সৌগত রায় আগ বাড়িয়ে শুভেন্দু তৃণমূলেই আছেন বলায় ক্ষোভ বেড়েছে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়কের৷

সেই কারণেই সৌগত রায়কে ‘একসঙ্গে কাজ করা আর সম্ভব নয়’ বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী নিজেই। এদিন শুভেন্দুকে নিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তির কথা তুলে ধরে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

সৌগত রায়কে বিঁধে দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, ‘‘সেমসাইড গোল খেয়েছে তৃণমূল৷’’ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করেও এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতির টিপ্পনি, ‘‘‘শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে এক ঝটকায় চুপ হয়ে গিয়েছেন মাস্টারমশাই।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।