কলকাতা: করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে ফের শুরু হয়েছে লকডাউন। এই পর্বের লকডাউনের প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘লকডাউনের নামে প্রহসন চলছে বাংলায়।’

গোটা দেশের পাশাপাশি বাংলাতেও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে নোভেল করোনাভাইরাস। প্রতিদিন আক্রান্তের নিরিখে একের পর এক রেকর্ড তৈরি হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বাংলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৫ হাজার ৯১১। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বেড়ে ৮৫৪। বেড়ে চলা সংক্রমণে লাগাম টানতে রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন চলছে।

কলকাতার ২৫টি এলাকা, উত্তর ২৪ পরগনার ৯৫টি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৫৪টি এলাকা, হাওড়ার ১৪৬টি, মালদহের ৭১টি, শিলিগুড়ির ৫১টি এলাকায় লকডাউন চলছে। এই পর্বের লকডাউন চলবে ৭ দিন পর্যন্ত। ৭ দিন পর পরিস্থিতি দেখে লকডাউন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার।

তবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আবারও লকডাউন ইস্যুতে রাজ্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘লকডাউনের নামে প্রহসন চলছে বাংলায়। রাজ্যের শাসকদলই তো লকডাউন মানছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রের জারি করা লকডাউনও মানেনি এখানকার শাসকদলই। বিশেষ শ্রেণির লোকেদের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি মমতার হাতের বাইরে। তাই ফের লকডাউনের পথে হাঁটছেন।’

করোনা রুখতে রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউন জারি করে লাভ কিছুই হবে না বলে মনে করেন দিলীপ ঘোষ। শাসকদল তৃণমূলকে দুষে তিনি আরও বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যেও শাসকদলের মিটিং-মিছিল থেমে নেই। অবৈধভাবে জমায়েত চলছে।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ