অশোকনগর: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। শনিবার পঞ্চম দফার ভোটের দিনেই উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করেন দিলীপ ঘোষ। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির তোপ, ‘‘দিদিমণি প্রায়ই জেলে পাঠানোর কথা তোলেন। শুধু বলেন, আমাকে জেলে পাঠিয়ে দিন, তবুও জিতে আসব। আপনাকে একা যেতে হবে না। আপনার ভাইরাও আপনার সঙ্গেই যাবে। পার্টির মিটিং আপনি জেলে বসে করবেন।’’

ভোট পঞ্চমীতে ফের একবার বিজেপি রাজ্য সভাপতির নিশানায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে তৃণমূল সুপ্রিমোকে জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের।

একাধিক সভা-সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তাঁকে জেলে পাঠানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে তাঁকে ও তাঁর দলের অনেককে ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ।

সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘আমাকে জেলে পাঠালেও জিতে আসব। ভয় পাই না।’’ একাধিক সভা-সমাবেশে তৃণমূল সুপ্রিমোর সেই বক্তব্যকেই এদিন কটাক্ষ করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তৃণমূলনেত্রীকে বিঁধে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘দিদিমণি প্রায়ই জেলে পাঠানোর কথা তোলেন। শুধু বলেন, আমাকে জেলে পাঠিয়ে দিন, তবুও জিতে আসব। আপনাকে একা যেতে হবে না। আপনার ভাইরাও আপনার সঙ্গেই যাবে। পার্টির মিটিং আপনি জেলে বসে করবেন।’’

কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তব্য করে কমিশনের কোপে পড়েন দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রচারে ২৪ ঘন্টা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যেতেই শনিবার রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোটের দিনে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করেন দিলীপ ঘোষ। সেই সভা থেকেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আগামী ২ মে ভোটের ফল প্রকাশের পরে তৃণমূলের অস্তিত্ব থাকবে না। বিধানসভা ভোটের ফল বেরনোর পর তৃণমূলে দাঁড়ানোর প্রার্থী মিলবে না।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.