বহরমপুর: ‘কোথায় ধর্মঘট? বাংলার মানুষ বাম ও কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করেছেন’, কেন্দ্রের শ্রমনীতির প্রতিবাদ-সহ একাধিক ইস্যুতে দেশজুড়ে বাম-কংগ্রেস ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা সাধারণ ধর্মঘটকে এভাবেই বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

দলীয় কর্মসূচি পালনে এই মুহূর্তে মুর্শিদাবাদে রয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের সকালে তাঁকে ব্যাট হাতে বহরমপুরের একটি মাঠে দেখা গেল। প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই ফাঁকেই ব্যাট হাতে একটু ক্রিকেটে মজলেন।

দিলীপ ঘোষকে দেখে এদিনের ধর্মঘট সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চান সাংবাদিকরা। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রবল রাজনৈতিক দুই প্রতিপক্ষকে। দুই দলকেই বিঁধেল দিলীপের তোপ, ‘‘কোথায় ধর্মঘট? বাংলার মানুষ ধর্মঘট চাইছেন না। সিপিএম ও কংগ্রেসকে বাংলার মানুষ বিদায় জানিয়েছেন।’’

একুশের বিধানসভা ভোটে বাংলা দখলে আত্মবিশ্বাসী দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের পরিবরত্ন বিজেপির হাত ধরেই আসবে।’’ বুধবার রাতে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে খুন হয়েছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাজা শেখ।

স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই খুনের পিছনে কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে। এই প্রসঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘মুর্শিদাবাদে খুন নতুন ব্যাপার নয়। তবে এই জেলার মানুষকেই এবার ভাবতে হবে। এভাবেই চলবে? নাকি উন্নয়নের কাজও করতে হবে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।