বালুরঘাট : বিজেপি ক্ষমতায় এসে পরবর্তী নির্বাচন গুলি এক দফায় করাবে।পশ্চিমবঙ্গের অর্ধেকেরও বেশি পুলিশ তৃণমূল নেতাদের বাড়ি পাহারা দিতেই ব্যস্ত। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক দফাতে ভোট করে দেখানো হবে।

দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, এক দফায় ভোট না হওয়াটা লজ্জার ব্যাপার। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক দফায় ভোটের ব্যবস্থা করবে। সবার আগে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি বাড়িতে সিকিউরিটি না রেখে, নেতাদের পিছনে সিকিউরিটিগার্ড রাখাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে। কেন্দ্র সরকার যা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। সিকিউরিটি রাখাটা এক ধরনের স্ট্যাটাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা রীতিমতো হুমকির মুখে রয়েছেন বলে তাঁদের সিকিউরিটি লাগছে।”

শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে ২০২১এর আট দফায় বিধানসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নত্তরে এই দাবিই করেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একই সঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

এখানে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই।পশ্চিমবঙ্গে অর্ধেকের বেশি পুলিশ নেতাদের বাড়িতে পাহারা দিতে ব্যস্ত থাকায় থানায় তাঁদের পাওয়া যায় না। বাংলা জুড়ে এই যে ও সুরক্ষার ও আতঙ্কের পরিবেশ তার থেকে বাংলাকে বের করতে হবে। অবস্থা তা অবিলম্বে বদল করার দরকার বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বালুরঘাটের আত্রেয়ী লজ থেকে বেরিয়ে প্রথমে সোজা তপন এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে পরিবর্তন যাত্রা সহ মালদহ অভিমুখে রওনা দেন তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে দিল্লির বিজ্ঞানভবন থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে কমিশন। সেখানেই জানানো হয়, বাংলায় মোট ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এরপরই সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনের উদ্দেশ্যে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, ৮ দফায় ভোট কেন? কাকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য? তাঁর দাবি, বিজেপির অনুরোধে এটা করা হয়েছে। শনিবার বালুরঘাটে চা চক্রে এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে একদফায় ভোট হবে। এটা আত্মসম্মানের ব্যাপার, করতেই হবে। এখানে রাজনৈতিক নেতাদের পাহাড়ায় জওয়ানরা থাকে, পুলিশকে পাওয়া যায় না’।

দিলীপের এই মন্তব্যের পালটা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ পদ্ধতিটাই জানেন না। ক’দফায় ভোট হবে, সেটা কমিশন ঠিক করে। কমিশন জোর করে আটদফায় করছে। দিলীপ ঘোষ কীভাবে বলছেন একদফায় করবেন, জানি না। দিবাস্বপ্নই থেকে যাবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.