কলকাতাঃ  রাজ্যজুড়ে গেরুয়া সুনামি। তৃণমূল ছেড়ে ইতিমধ্যে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী। তালিকায় রয়েছেন শাসকদলের একাধিক বিধায়কও। রাজ্যে এভাবে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে চায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেজন্যে নকশাল এবং মাওবাদীদের সাহায্য নিচ্ছে তৃণমূল। এমনটাই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তাঁর দাবি, এমন নাকি অভিযোগের প্রমাণও রয়েছে তাঁদের কাছে। প্রয়োজনে তা সামনে আনতে পারবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মেদিনীপুরের এই সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিকমহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

রাজ্যে বাড়ছে বিজেপি। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এর একটা প্রভাব পড়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, গণতান্ত্রিকভাবে বিজেপিকে আটকাতে পারছে না তৃণমূল। আর সেজন্যে মাওবাদী ও নকশালদের সাহায্য নিচ্ছে তৃণমূল। এর প্রমাণও তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষ এদিন তোপ দাগেন, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেওয়ার কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ঠিক সেইভাবেই বিরোধীদের উপর আক্রমণ হয়।

রাজীব কুমার ইস্যুতেও এদিন মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী রাজীব কুমারের বাড়িতে ছুটে যাচ্ছেন। ঝর্ণা দিচ্ছেন। কোথায় , অন্যকোনও অভিযুক্তের জন্য তো উনি তা করছেন না কেন? রাজ্য বিজেপি অনেক আগে থেকেই সাফ জানিয়ে আসছে, রাজীব কুমার সারদা মামলার অনেক কিছুই জানেন। তিনি রাজ্য সরকারকে সাহায্য করেছেন। দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, কোর্টকে, সিবিআই-কে ফাঁকি দিয়ে বেশীদিন বাঁচা সম্ভব নয়। রাজীব কুমারের উদ্দেশ্যেই যে দিলীপ এই মন্তব্য করেছেন পরিষ্কার।

রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বৃহস্পতিবারই সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, বিজেপি চায় সুপ্রিম কোর্ট সিবিআইকে যে আদেশ দিয়েছেন তা তাড়াতাড়ি পালন করা হোক। পশ্চিমবঙ্গের কয়েক লাখ মানুষ প্রতারিত হয়েছে। ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি লুঠ হয়েছে। বাংলার সমাজ এবং রাজনীতিতে দুর্নীতির ছায়া দেখা দিয়েছে। সব দোষীরা সামনে আসুক। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সারদা মামলার নিষ্পত্তি চাইছে বিজেপি।