স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দুজনেরই বিরোধের কথা রাজ্য রাজনীতির অজানা নয়। তার সত্ত্বেও দিলীপ ঘোষকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ভুললেন না মুকুল রায় এবং বাবুল সুপ্রিয়।

শনিবার দিলীপ ঘোষের জন্মদিন ছিল। এদিন দিলীপ ঘোষের ছবি পোস্ট করে ফেসবুকে মুকুল রায় লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষের জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”

নিজের সঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতির ছবি পোস্ট করেছেন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও। সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, “জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভগবান আপনার মঙ্গল করুন। ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন। সাফল্য আসুক জীবনে।” দলেরই অন্দরে একাধিক হেভিওয়েট নেতার সঙ্গে দিলীপ ঘোষের বিরোধ নিয়ে সম্প্রতি শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুকুল রায়।

কদিন আগেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে দিলীপ শিবিরের সঙ্গে মুকুল রায়ের বাদানুবাদ হয়। যার জেরে বৈঠকের মাঝপথে বেরিয়ে আসেন মুকুল। দিল্লি ছেড়ে একেবারে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এছাড়াও দলের অন্দরে দিলীপ বিরোধীদের তালিকায় রয়েছেন আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও।

দিলীপ ঘোষকে কিছুদিন আগে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আখ্যাও দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও পরে নিজেই বাবুল ব্যাখ্যা করেন, “রাজনীতিতে মতের অমিল হতেই পারে। কিন্তু দেখা হলে কী দিলীপদাকে জড়িয়ে ধরব না?”

তবে এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি প্রায় আধ ডজন সাংসদ নিয়ে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছিলেন বাবুল। সেই মধ্যাহ্নভোজে ছিলেন না দিলীপ ঘোষ।

এমনকী ওই মধ্যাহ্নভোজ সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলেই দাবি করেছিলেন বাংলার বিজেপি সভাপতি। কিন্তু অন্য সময় যাই হোক, দিলীপ ঘোষের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে কেউই ভুললেন না। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আবার সম্পর্কের উন্নতি ঘটছে মুকুল-বাবুলের সঙ্গে দিলীপের? নাকি পুরোটাই নেহাত লোক দেখানো?

এদিকে, এদিন নিজের জন্মদিনে ভূতনাথ মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি জানান, কাজের চাপে বাড়ি যেতে পারেননি তিনি। পরে বাড়ি গিয়ে মায়ের কাছে আশীর্বাদ নিয়ে আসবেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ