স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সুজাতা খাঁর দলবদল প্রসঙ্গে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়কে বেলাগাম আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বললেন, শেষ বয়সে লোকের বৌ চুরি করছেন, লজ্জা করে না?

সুজাতা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে এক হাত নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ধিক্কার, আপনাদের লজ্জা করে না। তৃণমূলের বুড়ো নেতাগুলো অন্যের বউ নিয়ে পালাচ্ছে। বাঙালির মান সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিচ্ছে।’ সৌগত রায়কে উদ্দেশ্য করে বললেন,’ শেষ বয়সে এত পাপ করবেন না সৌগত বাবু। আপনারও ঘর সংসার রয়েছে।’

সোমবার সবাইকে চমকে দিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁর স্ত্রী সুজাতা মণ্ডল। এর পরই সাংবাদিক সম্মেলন করে সৌমিত্রবাবু বলেন, স্ত্রীকে বিবাব বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠাচ্ছেন তিনি। সৌমিত্রের ঘরে ভাঙন নিয়ে মুখে কুপুল এঁটেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ওইদিনই দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ‘পারিবারিক সমস্যায় আমার রুচি নেই’। সুজাতাদেবীর তৃণমূলে যোগদানে কোনও রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে কি না এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘কার প্রভাব কোথায় পড়বে। প্রত্যেক পরিবারে কিছু না কিছু সমস্যা হয়। এর কোনও গুরুত্বই নেই। তৃণমূল কী করবে করুক, বিজেপির এই নিয়ে কোনও চিন্তা নেই। যাদের নিয়ে এত ভাবনা চিন্তা তারা পার্টির কে?’

এদিকে, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে গুজরাতের সম্পর্ক তুলে ধরার চেষ্টাকে কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের আগে বাঙালির মন জয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ব্যবহার করছে বিজেপি। সৌগত রায় বলেছিলেন, বিজেপি-র তো কোনও আইকন নেই। কারন ওরা তো ফ্রিডম স্ট্রাগলে অংশ নেয়নি। জনসঙ্ঘ, আরএসএস কেউ না। ওরা শ্যামাপ্রসাদের নাম নেন। উনিও জেলে যাননি। সাভারকার মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন। তারা আজ অরবিন্দ, রবীন্দ্রনাথের কথা বলছেন।

এপ্রসঙ্গে তৃণমূলকে একহাত নিয়ে দিলীপ বললেন, ‘যারা এতদিন রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে ব্যবসা করছিলেন। তাদের মনে হচ্ছে রবীন্দ্রনাথকে কেউ ছিনিয়ে নিচ্ছে। এতদিন তো রবীন্দ্রনাথের গান রাস্তার সিগনাল ব্যবহার হচ্ছিল। এখন তাহলে কেন বন্ধ করে দেওয়া হল। সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের স্বভাবই হল, ব্যবহার করব ছেড়ে দেব। তাই এতদিন রবীন্দ্রনাথকে ব্যবহার করে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা মহাপুরুষদেরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছি।’

আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে দিলীপ বলেন, ‘বিশ্বভারতী জমি মাফিয়াদের হাতে চলে যাচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে সেটা যদি কেউ ঠিক করতে আসে তাহলে কি সেটা ভুল? দিদি কষ্ট পাচ্ছেন । নিজের দিকে তাকান দিদি, রবীন্দ্রনাথের ছবি নেওয়ার যোগ্যতা আপনাদের নেই। উনি সরকারি প্রোগ্রামকে পারিবারিক প্রোগ্রাম করে নিয়েছেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।