কলকাতা: ফের তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। রাজ্যর আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবারও তিনি তীব্র ভাষাতে আক্রমণ করলেন রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রীকে।

পূর্ব মেদিনীপুরের ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরে আবারও সামনে এলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এই মুহূর্তে সিএএ এবং এনআরসি নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সেই কারণেই রবিবার মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসাত পর্যন্ত মিছিল করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। ৫ কিলোমিটার পথ হেটেছিলেন তিনি। আর একেবারেই স্বমহিমাতে আক্রমণ করলেন সিএএ বিরোধীদের।

কয়েকদিন আগেই সিএএ এনআরসি প্রতিবাদ করে রাজপথে হেঁটেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেই একই রুটে হেঁটেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তারপরে রাজ্যর পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। নিশানা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে।

এর আগেও তিনি তীব্র ভাষাতে জানিয়েছিলেন সরকারি সম্পত্তি যারা নষ্ট করেছে তাদের ছাড়া হবে না। জানিয়েছিলেন সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে তাদের গুলি করে মারা হবে। যদিও তাঁর এই মন্তব্যর পরেই উঠেছিল সমালোচনার ঝড়। এমনকি কংগ্রেসের তরফ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে থানাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করাও হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে সেসব কিছুর পরোয়া খুব একটা করেন না তা এদিন আবারও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।

রবিবার বিকেলে সিএএ সমর্থনে দিলীপ ঘোষ অভিনন্দন যাত্রা করেন নৈহাটি শহরে। এই অভিনন্দন যাত্রায় অংশ নেয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং, ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র সহ অন্যান্যরা। এই অভিনন্দন যাত্রায় অন্তত ১০ হাজার মানুষ শামিল হয়ে ছিলেন । এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা পরের নির্বাচনে বুঝিয়ে দেব কে হার্মাদ, কে উন্মাদ ? মানুষ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে আছে । যে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আমাকে পাগল বলছে, ও যে কতবড় পাগল তা জানতে এই জেলার মানুষের আর বাকি নেই ।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ