প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : “পশ্চিম বাংলা উগ্রপন্থীদের এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। এখানকার অবস্থা কাশ্মীরের থেকেও খারাপ।” রবিবার বরাহনগরে চায়ে-পে চর্চার অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ওই অনুষ্ঠানে এসে দিলীপ একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, উগ্রপন্থীরা অন্য রাজ্য থেকে ধাওয়া খেয়ে এসে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়। কোচবিহারে সম্প্রতি ৬ জন উগ্রপন্থী ধরা পড়েছে। উত্তরবঙ্গে তাঁর উপর যে হামলা হয়েছে সেই ঘটনার সঙ্গে বহিরাগতরা জড়িত বলে দাবি দিলীপের। তাঁর দাবি, ওই হামলা বহিরাগতরা করেছে। খুব ভালো করে হামলাকারীদের মুখগুলো সামনে থেকে দেখলেই বোঝা যাবে ওরা ভারতীয় নয়, রোহিঙ্গা। এরাই তৃণমূলের হয়ে ভোট করে তৃণমূলকে জেতায় বলে বিস্ফোরক দাবি বিজেপির রাজ্য সভাপতির।

এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেন তৃণমূল সরকার পরিবর্তনের সময় এসেছে । উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরের টবিন রোডে চায়ে পে চর্চা অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যে জঙ্গি সংগঠনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, “এক সময় শুনেছিলাম আমার নাম জঙ্গীদের হিটলিস্টে ১ নম্বরে আছে । তবে ভয় পেলে চলবে না। এই সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে বাংলায় শান্তি ফিরবে।”

রবিবার সকালে দিলীপ ঘোষ বরানগরের টবিনরোড সংলগ্ন এলাকায় চায়ে পে চর্চা অনুষ্ঠানে যোগ দেন । প্রথমে তিনি গাড়ি করে ডানলপ মোড়ে আসলে সেখান থেকে তাকে ঘোড়ায় টানা গাড়িতে করে টবিন রোডে নিয়ে যান বিজেপি কর্মীরা । তিনি ফিরহাদ হাকিমের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “তৃণমূলের যে নেতারা আমাকে নিয়ে কুকথা বলছে, তারা নিজেরা পিছনের দরজা দিয়ে গিয়ে ফের ক্ষমতায় বসেছে। তারা আসলে হেরে বসে আছে । নৈতিক ভাবে ক্ষমতা হারিয়েছে। আগামী মে মাসে তারা চলে যাবে ।”

দিলীপ বাবু এদিন বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “বাংলায় মে মাসে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে । বাংলার মানুষ ৪০% ভোট দিয়ে বিজেপিকে লোকসভায় এগিয়ে রেখেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাম, তৃণমূল, কংগ্রেস, মিম সবাই একজোট হয়ে লড়লেও বিজেপি একক ভাবে বাংলায় ক্ষমতা দখলের জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে ।

ওরা অত্যাচারী, ওদের বাংলার মানুষ ভোট দেবে না । বাংলায় বিজেপি একমাত্র দল যারা আগামীদিনে বিকাশ করবে, উন্নয়ন করবে । পুলিশ দিয়ে ক্ষমতায় বসে থাকা সম্ভব না । ওরা শুধু বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয় । আমার বিরুদ্ধেও সব মিথ্যা কেস দিয়েছে । আমরা আইনত মামলা লড়ছি । পুলিশ মেরুদন্ডহীন হয়ে পড়েছে ।”

তবে এদিন শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে তেমন কোনও মন্তব্য করেননি দিলীপ ঘোষ । তাঁকে শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ওটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দলের ব্যপার ওটা যা হবে আগামীদিনে সামনে চলে আসবে ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।