ভোপাল: এক সময় তিনিই ছিলেন দলের মুখ৷ দু’বার মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসেছেন তিনি৷ ক্ষমতা হারানোর সময়ও তিনি নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন৷ কিন্তু রক্ষা করতে পারেননি গড়৷

সেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীই দলের হয়ে প্রচারে যেতে নারাজ৷ তার কারণও অদ্ভুত৷ তিনি বলছেন, তিনি প্রচারে নামলে দল হেরে যেতে পারে৷ তাই তিনি কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ৷ সেই কারণেই তিনি নিজেকে নির্বাচনী প্রচার থেকে দূরে সরিয়ে রাখলেন৷

আরও পড়ুন: প্রথম রাউন্ডেই বিদায় সিন্ধুর, এগোলেন সাইনা

প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রীর নাম দ্বিগ্বিজয় সিং৷ মধ্যপ্রদেশে তিনি দু’বার কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন৷ ২০০৩ সালে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হেরে যান৷ সেবার বিজেপিকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে লড়াই করেছিলেন৷ কিন্তু গড় রক্ষা করতে পারেননি৷

তার পরের ১৫ বছরে মধ্যপ্রদেশে দলের হয়ে কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছেন দ্বিগ্বিজয়৷ ইউপিএ আমলে মনমোহন সিং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যও ছিলেন৷ এমন একজন হেভিওয়েট নেতার মুখে কংগ্রেস সম্পর্কে এই মন্তব্য শুনে স্বাভাবিকভাবেই হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে৷

আরও পড়ুন: মৃত নিরাপত্তারক্ষীর পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার মন্ত্রী শুভেন্দুর

কী বলেছিলেন দ্বিগ্বিজয় সিং? একটি ভিডিও-য় দেখা যাচ্ছে, তিনি বলছেন, ‘‘আমার এখন একটাই কাজ, কোনও ভাষণ না দেওয়া৷ কারণ, আমি ভাষণ দিলেই কংগ্রেসের ভোট কমে যায়৷ তাই আমি যেতে চাই না৷’’

তাৎপর্যপূর্ণভাবে ১৩ অক্টোবর এই মন্তব্য করেন তিনি৷ আর সেইদিনই রাহুল গান্ধী মধ্যপ্রদেশে প্রচার শুরু করেছিলেন৷ এখনও পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কোনও ব়্যালিতে তাঁকে দেখাও যায়নি৷ স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কী এমন হল যে এতটা হতাশ হয়ে পড়েছেন দ্বিগ্বিজয় সিং৷

আরও পড়ুন: অষ্টমীতে কী রয়েছে আপনার ভাগ্যে দেখে নিন এখনই

যদিও হতাশার কথা মুখে প্রকাশ করতে নারাজ দ্বিগ্বিজয়৷ তাঁর কথায়, তাঁর ভিডিওটি পুরোটা দেখানো হয়নি৷ প্রথম অংশটি দেখানো হলে বোঝা যাবে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন৷

আরও পড়ুন: সপ্তমীর রাতে মহানগরে জনজোয়ার, কোথায় কত ভিড় একনজরে..