দীঘাঃ  বড়দিনে বড় উপহার! মাত্র ৩৪০ টাকায় দীঘা, শঙ্করপুর ভ্রমণ। সঙ্গে তাজপুর-মন্দারমনিও ঘুরে ফেলতে পারবেন। পর্যটকদের দিনভর এমনই জলের দরে বাংলার সৈকত শহর ঘোরনোর সুযোগ করে দিল দীঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা। আজ, শুক্রবার বড়দিন উপলক্ষে দীঘায় এই পরিষেবা চালু হল।

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের পর্যটন ব্যবসাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়। বাংলার সৈকত শহর দীঘা এবং আশেপাশের অঞ্চলকে গোয়ার কায়দায় সাজানোর নির্দেশ দেন। সেই মতো সেজে উঠেছে বাংলার প্রিয় এই সৈকত শহর।

শুধু দীঘাই নয়, আশেপাশের মন্দারমনি, শঙ্করপুর সহ আশেপাশের এলাকাগুলিকেও ঢেলে সাজানো হয়। এবার সেই জায়গাগুলিই একেবারে সস্তায় ঘুরিয়ে দেখানো হবে। সার্কিট ট্যুরিজম ভাবনাকে সামনে রেখেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন এই পরিষেবার সূচনা করছে।

শুক্রবার থেকে ১৪সিটের একটি বাস দিয়ে পরিষেবা চালু হলেও ২৮ডিসেম্বর আরও একটি বাস চলবে। ধাপে ধাপে বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ১০টি করা হবে। এই পদক্ষেপ প্রাথমিক ভাবে এই সমস্ত অঞ্চলে শুরু হলেও আগামিদিনে আরও বেশ কিছু জায়গায় এই পরিষেবা শুরু হবে। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে মোট ৯৬.৫ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করবে এই লাক্সারি বাস।

সকাল সাড়ে ৮টায় দীঘায় অপরাজিতা কটেজ থেকে বাস ছাড়বে। সকাল ৯টায় বাস পৌঁছবে শঙ্করপুরে। সেখানে আধ ঘণ্টা সময় কাটানো যাবে।

সকালের টিফিন সেরে সাড়ে ৯টায় শঙ্করপুর থেকে বাস রওনা দেবে তাজপুরের উদ্দেশে। সেখান থেকে দাদনপত্রবাড়ে, সিলামপুর। সেখানে স্নান ও মধ্যাহ্নভোজন সেরে ফেলতে হবে। ওই জায়গায় স্নানের সুবিধা আছে। সিলামপুর থেকে অমরাবতী পার্কে।

সেখান থেকে ওসিয়ানা বিচে। তারপর ঢেউসাগরে। ২৫ডিসেম্বর থেকেই এই ঢেউসাগরে স্থায়ী মঞ্চে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর বসবে। প্রতি শনি ও রবিবার ওই অনুষ্ঠান হবে। বিকেল ৪টে ৩৫মিনিট নাগাদ ঢেউসাগর থেকে বাস রওনা দেবে দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্রের উদ্দেশে।

সন্ধ্যা ৬টায় বিজ্ঞান কেন্দ্র থেকে বাস ফিরে যাবে অপরাজিতা কটেজে। সেখান থেকে যে-যাঁর গন্তব্যস্থলে রওনা দেবেন। এমনটাই ব্যবস্থা করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের। কিন্তু কীভাবে মিলবে এই টিকিট? জানা গিয়েছে অপরাজিত কটেজেই একটি কাউন্টার করা হয়েছে। সেখান থেকেই মিলবে টিকিট।

তবে যেদিন যাবেন তার ঠিক আগের দিন কেটে নিতে হবে টিকিট। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে। এই মুহূর্তে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হলেও পরবর্তী সময়ে অনলাইন পরিষেবা চালু করার চিন্তাভাবনা আছে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থার।

দর্শনীয় স্থানের প্রবেশমূল্য, টিফিন কিংবা মধ্যাহ্নভোজন সবটাই ভ্রমণকারীর নিজের খরচ। তবে ট্রেনে গিয়ে দিঘা, মন্দারমনিতে ঘুরতে অনেক টাকাই খরচ হয়।

সেখানে মাত্র ৩৪০ টাকায় এতগুলি জায়গা ঘুরে দেখানো হবে। এত্ত সস্তায় এই সুবিধা মানুষের মন জয় করতে পারবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিকমহলের আধিকারিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।