দিঘা:  আস্তে আস্তে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সমুদ্র সৈকত দীঘা নগরী। দীর্ঘ লকডাউনের পর অবশেষে দিঘার সমস্ত হোটেল খুলে দেওয়া হয়েছে। আর তা খুলে দেওয়ার পর বেশ কিছু পর্যটক আসা শুরু করেছে। যদিও খুব ভিড় এখনই চোখে পড়ছে না। তা হলেও করোনা কে উপেক্ষা করে বেশ কিছু পর্যটক আসা শুরু করেছে দীঘায়। ধীরে ধীরে বাড়ছে পর্যটক।

যেমন গতকাল শনিবার দিঘাতে ভালো ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। আজ রবিবারও ছুটিতে কিছুটা পর্যটকের দেখা গিয়েছে। এর সঙ্গেই এদিনের বাড়টি পাওনা পূর্ণিমার ভরা জোয়ার। দিঘা যেন আরও সুন্দর। পর্যটকদের মতে, এমন দিঘার রূপ দেখাই যায়নি। একদিকে অতি সুন্দর অন্যদিকে ভয়ঙ্করও।

ফাইল ছবি

কারণ জোয়ারের কারণে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ। আছড়ে পড়ছে একের পর এক বিশাল ঢেউ। আর প্রত্যেকটি গাড়োয়াল টপকে উপচে পড়ছে। আরতা উপচে পড়ছে বাইরে। সেই ঢেউ উপভোগ করতে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভিড় জমিয়েছিল পর্যটকেরা। আজ রবিবার সকাল থেকেই ঝির ঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়।

বৃষ্টির কারণে ফাঁকা হয়ে যায় সমুদ্র সৈকত। যদিও কিছুক্ষণ পরে বৃষ্টি থামে। আর তা থামার পরেই পর্যটকরা সমুদ্র ঢেউ দেখতে বেরিয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন পরে আবার যেন সেই চেনা ছন্দে ফিরতে চলেছে সমুদ্র সুন্দরী দীঘা।

যদিও এদিন সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল তুঙ্গে। গোটা সৈকত এলাকা জুড়ে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছিল।

সৈকতে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছিল না। গার্ডওয়ালের এপাশে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের জলে স্নান করতে দেখা যায় লোকজনকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.