স্টাফ রিপোর্টার, দীঘা : কালী পুজো আসতে না আসতেই বেশ হালকা হালকা শীতের আমেজ আার এই সময়ই দেখা মেলে বাঙালির অতিপরিচিত খেজুরের রস।

এসময় প্রত্যেক দিন সকাল হলেই তিনি বেড়িয়ে পড়েন। দীঘার সৈকতে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে বাঁউকি কাঁধে মাটির কলসিতে ভর্তি খেজুরের রস ফেরি করে বেড়ান দীঘা মোহনা থানার হাড়োপুর গ্রামের জগন্নাথ রায় (৭৮) ওরফে” দীঘার রসরাজ” ।

তার পরিবারে খুবই অভাব, নেই কোনও চাষের জমি, তিন ছেলে দুই মেয়ের সংসারে দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে, দুই ছেলে আলাদা থাকে। তাদের পরিবার নিয়ে অপর এক ছেলে কাছে থাকলেও দূর্ঘটনার ফলে হাত পা বিকলাঙ্গ হয়ে যাওয়ার জন্য তাদের পরিবারকে খাবার যোগান দিতে হয় জগন্নাথ বাবুকে। তাই সংসারে সব মিলিয়ে ১০-১২ জনের অন্ন সংস্থান করার জন্য গ্রামের লোকের কাছ থেকে প্রতি বছর চুক্তিতে খেজুর গাছ লিজ নিয়ে রস সংগ্রহ করেন এবং তা প্রায় চল্লিশ বছর ধরে দীঘার সৈকতে বিক্রি করে আসছেন ।

বয়সের ভারে এখনও ভেঙে পড়েননি বরং আক্ষেপ করে বলেন ৭৮ বছর বয়স হলো এখনও বার্ধক্য জনিত ভাতা মেলেনি, মেলেনি কোনো সরকারি সুযোগ সুবিধাও। সৈকতে পর্যটকদের কাছে রস বিক্রি করে ২০০/৩০০ দৈনিক আয় হয় তাতেই কোনও রকম ভাবে সংসার চলে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।