স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যাঁরা পুজোয় সমুদ্র সৈকতে সময় কাটাবেন বলে ভেবেছেন তাঁদের জন্য সুখবর। ১৬ অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে দিঘা-পুরীগামী ট্রেন। সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব।

ভ্রমন পিপাসু বাঙালিদের অনেকেই এই চার-পাঁচদিন কাছেপিঠে কোথাও বেড়াতে যেতে চান। সমুদ্র সৈকত বলতে বরাবরই বাঙালির ফেভারিট দিঘা, পুরী। কদিন আগেই ট্রেন চালানোর দাবি তুলে রেল মন্ত্রকে আবেদন জানিয়েছিল দিঘার হোটেল অ্যাসোসিয়েশন। সেই দাবি কার্যত মেনে নিল রেলমন্ত্রক।

১৬ অক্টোবর থেকে দিঘা ও পুরী অভিমুখে ট্রেন চালাতে সম্মত হয়েছে তারা। ওইদিন থেকে প্রতিদিনই চলবে ট্রেনগুলি। এদিকে, দিঘা, মন্দারমণি বা তাজপুরের প্রায় সব হোটেলই অনলাইন বুকিং বন্ধ করে দিয়েছে।

খাতায়-কলমে প্রায় সব হোটেলেরই ৯০ শতাংশ ঘর ইতিমধ্যেই ‘বুকড’। এই ট্রেন্ড দেখে হোটেল ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যেই বুঝে গিয়েছেন এবার পুজোয় ভিড় কতটা ব্যাপক হতে চলেছে।

এদিকে, পুজোর আগেই উত্তরবঙ্গ যোগাযোগের আরও দুটি ট্রেন চালু হচ্ছে। দার্জিলিং মেল এবং তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস, এই দুটি ট্রেন চালু হলেই উত্তরের পর্যটন ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকেই দার্জিলিং মেল এবং তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস চালু হওয়ার কথা। দার্জিলিং মেল এবং তিস্তা তোর্সার বুকিং কবে থেকে শুরু হবে, তা দু’এক দিনের মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাবে রেল।

রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ট্রেনগুলি দার্জিলিং মেল বা তিস্তা তোর্সা নামে না চলে স্পেশ্যাল ট্রেন হিসেবে চলবে। তবে তার সূচি ওই ট্রেনগুলির মতোই থাকবে। ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি আগের মতোই থাকছে।

সব ঠিকঠাক থাকলে করোনা আতঙ্কের মধ্যেও পুজোয় জমজমাট হতে চলেছে বাঙালির অলটাইম ফেভারিট ‘দিপুদা’।

এদিকে, ১৬ অক্টোবর থেকে থেকে রোজ চলবে স্পেশ্যাল স্টিল এক্সপ্রেসও। পাশাপাশি ১৭ অক্টোবর থেকে সাপ্তাহিক ভাবে চলবে হাওড়া-এরণাকুলাম ভায়া কাঠপাতি এক্সপ্রেস।

প্রতি শনিবার ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়বে। একইদিন থেকে চলবে রাঁচিহাতিয়া স্পেশ্যাল। ১৫ তারিখ থেকে চলবে রাঁচি শতাব্দী এক্সপ্রেস। ১৯ অক্টোবর থেকে চলবে হাওড়া-যশবন্তপুর সাপ্তাহিক এক্সপ্রেসও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।