ফাইল ছবি

কলকাতাঃ  কালীপুজোর আগেই দিঘাপ্রেমীদের জন্যে সুখবর। দিঘা যাওয়ার দু’জোড়া লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে। বুধবার থেকেই দিঘা যাওয়ার দুটি লোকাল ট্রেন চালু হচ্ছে। দিঘা লাইনে দ্রুত ট্রেন চলাচল যাতে শুরু হয় সেজন্যে বারবার দাবি উঠছিল। ট্রেন চালু না হওয়ার কারণে সমস্যাতে পড়তে হচ্ছিল হোটেল ব্যবসায়ীদের। কারণ সেভাবে পর্যটক পাওয়া যাচ্ছিল না।

এই পরিস্থিতিতে গত ১৪অক্টোবর থেকে উৎসব স্পেশাল হিসেবে একটি এসি সুপার চালানো হলেও সেটির ন্যূনতম ভাড়া পাঁচশো টাকা হওয়ার কারণে পর্যটকদের অনেকেই ওই ট্রেন এড়িয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় সাধারণ পর্যটক থেকে হোটেল মালিক সর্বস্তরে লোকাল ট্রেনের দাবি ছিল। অবশেষে ১১নভেম্বর থেকে দিঘা যাওয়ার দু’জোড়া লোকাল শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে হলদিয়া যাওয়ার দু’জোড়া লোকালও চালু হচ্ছে।

এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ বুধবার থেকে মেচেদা-দিঘা এবং দীঘা-পাঁশকুড়া লোকাল চলাচল শুরু হচ্ছে। মূলত অফিস টাইমে দিঘা এবং হলদিয়া লাইনে ট্রেন যাতায়াত শুরু হচ্ছে। মেচেদা-দিঘা সকাল ৮টায় মেচেদায় ছাড়বে। দিঘায় পৌঁছবে সকাল ১০টা ৫৭মিনিটে।

ওই ট্রেন দিঘায় ছাড়বে সওয়া ১১টায়। মেচেদায় পৌঁছবে বেলা ২টো ১০মিনিটে। পাঁশকুড়া-দিঘা লোকাল পাঁশকুড়ায় ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ৩৫মিনিটে। দিঘায় পৌঁছবে রাত ১০টা পাঁচ মিনিটে। নিত্যযাত্রীরা দক্ষিণ-পূর্ব রেলে পাঁশকুড়া স্টেশনে নেমে ওই ট্রেন ধরে গন্তব্যস্থলে যান। সকাল ৫টা ৪৫মিনিটে ওই ট্রেন দিঘা থেকে রওনা দেবে।

পাঁশকুড়ায় পৌঁছবে সকাল ৮টা ৫মিনিটে। হাওড়া-হলদিয়া লোকাল হাওড়া স্টেশনে সকাল সওয়া ৬টায় ছাড়বে। হলদিয়ায় পৌঁছবে সকাল ৯টা ৫০মিনিটে।

আরেকটি লোকাল সন্ধ্যা ৬টায় হাওড়ায় ছাড়বে। হলদিয়ায় পৌঁছবে রাত ৯টা ৪০মিনিটে। হলদিয়া থেকে সকাল ৬টা ৫মিনিট এবং বিকেল ৫টা ১৫মিনিটে দু’টি লোকাল হাওড়ার উদ্দেশে ছাড়বে। অফিস যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে সকাল ও বিকেলে আগের রুটিন অনুযায়ী দু’জোড়া ট্রেন চলাচল করবে।

অন্যদিকে, রাজ্যে আগামী বুধবার থেকে মোট ৬৯৬টি শহরতলির ট্রেন পরিষেবা চালু হতে চলেছে। দীর্ঘ সাতমাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রেল পরিষেবা। অবশেষে লোকাল ট্রেন পরিষেবা বাংলাতে শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

এর আগে বিভিন্ন ডিভিশনে ১৮১ জোড়া বা ৩৬২টি ট্রেন চালাবার কথা বলা হলেও পরিস্থিতির বিচারে বাড়তি ট্রেন চালানোর জন্য রাজ্য সরকার রেলকে লিখিতভাবে অনুরোধ জানায়।

এক ট্যুইটে রেলমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুরক্ষার দিকটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে রেল। পর্যাপ্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করেই ট্রেন চালানো হবে। তিনি লিখেছেন, রেলের ব্যবস্থায় যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে। রেল ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আলোচনায় প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল, শহরতলিতে ৩৬২টি ট্রেন চালানো হবে। এতে যাত্রীদের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।