দিঘা: শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা চারদিনের ছুটিতে দোলের আনন্দে মেতে উঠে পর্যটকরা। সোমবারের পাশাপাশি আজ মঙ্গলবারও দিঘায় ভিড় চোখে পড়ার মতো। সমুদ্র স্নানের পাশাপাশি দোলের আনন্দে মেতে উঠলেন আগত পর্যটকরা। উপলক্ষ হোলি। সঙ্গে টানা ছুটির আমেজ। দিঘার সৈকত জুড়ে তাই পর্যটকদের ব্যাপক ভিড়। সমুদ্রে সৈকতের পাশাপাশি রাস্তাঘাটেও সকাল থেকে রঙ খেলায় মেতেছেন পর্যটকরা।

ব্যাপক ভিড়ের কারনে দিঘায় হোটেলে হোটেলে রুমের চাহিদাও তুঙ্গে। এদিকে সি বিচের লাগামছাড়া ভিড় সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা পুলিশের। নিরাপত্তার কথা মাথায় সি বিচ-সহ দিঘা জুড়ে পুলিশি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে দিঘা পুলিশের তরফে। পাশাপাশি সমুদ্র তীরে নুলিয়া এবং বিপর্যয় মোকাবিলা টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতির জন্যে তাঁদের তৈরি রাখা হয়েছে। যাতে কোন পর্যটক নেশা করে সমুদ্রে না নামে সেদিকেও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে দিঘা থানার পুলিশ।

অন্যদিকে, সি বিচ জুড়ে চলছে লাগাতার পুলিশি টহলদারি। পর্যটকদের সতর্ক করে সমুদ্র সৈকত জুড়ে পুলিশের কড়া নজরদারি। দিঘার পাশাপাশি অন্যান্য সৈকত এলাকা তাজপুর, শংকরপুর, মন্দারমনিতেও পর্যটকদের ভালোই ভিড় জমেছে। হঠাৎ করে শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব বন্ধ করে দেওয়ায় ভ্রমন পিপাসুরা টানা চারদিনের ছুটি পেয়ে সোজা রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দিঘাকে বেছে নিয়েছে। ফলে দিঘার সমুদ্রে পর্যটকদের ভীড় উপচে পড়া।

পুলিশি নিরাপত্তার পাশাপাশি করোনা ভাইরাস নিয়েও পর্যটকদের সাবধান করা হচ্ছে। কারণ এই সময় দিঘাতে দেশ-বিদেশ থেকেও বহু পর্যটকরা আসেন। সেই কারণে দিঘা স্বাস্থ্য দফতর, রামনগর পঞ্চায়েত সমিতি, হোটেলিয়ার্স এসোসিয়েশনের তরফে চলছে নজরদারি এবং সচেতনতা শিবির তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের উদ্দেশ্যে মাইকিং চালানো হচ্ছে। অযথা যাতে মানুষ আতঙ্ক না হয়, তা জানানো হচ্ছে পর্যটকদের। নজরদারির পাশাপাশি, বিদেশী কোনও পর্যটক এলেই প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশ দেওযা হয়েছে হোটেলগুলিকে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব