স্টাফ রিপোর্টার, দিঘা: করোনা আবহে এখনই সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে অনিচ্ছুক মৎস্যজীবীরা। ফলে মাছ কেনাবেচার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকছে অনির্দিষ্ট কালের জন্য। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫জুন থেকে শুরু হতে চলেছে সামুদ্রিক মাছ ফিশিং এবং তার বেচা- কেনার প্রক্রিয়া।

আর একে ঘিরেই বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে জটিলতা।পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘা মোহনা ,শংকরপুর , শৌলা , পেটুয়াঘাট এছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় রয়েছে ছোট-বড় মৎস্য জেটি সহ সামুদ্রিক মাছের নিলাম কেন্দ্র। মূলত এই সমস্ত জায়গায় আগামী ১৫ তারিখ থেকে শুরু হতে চলেছিল সামুদ্রিক ফিশিং এবং সামুদ্রিক মাছের কেনাবেচার পাইকারি বাজার । কিন্তু বেঁকে বসেন এলাকার বাসিন্দা সহ মৎস্যজীবী সংগঠনগুলি। যার ফলে কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষোভ দেখান মৎস্যজীবীরা।

আর এই সমস্যার সমাধান সূত্র খুঁজতে বৃহস্পতিবার মহাকুমার শাসকের নেতৃত্বে মৎস্য দফতর , ট্রলার মালিক সংগঠন ও মৎস্যজীবীদের সংগঠন আলোচনায় বসেন। যদিও একপ্রস্ত আলোচনার পরেও রফা সূত্র সেই অমিলই রয়ে গিয়েছে। এলাকা ভিত্তিক সংগঠন গুলিকে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনাতেই মিলতে পারে রফাসূত্র । তাই স্থানীয় স্তরে আলোচনার মাধ্যমে এই মৎস্য বন্দর ও সামুদ্রিক মৎস্য নিলাম কেন্দ্র গুলি খোলার ব্যাপারে মত প্রকাশ করেন অধিকাংশ সংগঠনগুলি ।

এখন দেখার বিষয়, স্থানীয় স্তরে আলোচনায় কি উঠে আসে ? সেই দিকেই তাকিয়ে মহকুমা প্রশাসন থেকে আপামর মৎস্যজীবী । এদিকে লকডাউনের কারণে দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস সমুদ্রে মাছ ধরার কাজ বন্ধ থাকে। প্রশাসনিক বৈঠক করে আগামী ১৫ জুন থেকে মাছ ধরা ও বেচাকেনার কাজ শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

যার ফলে মৎস্য প্রেমী মানুষেরা মনে করেছিলেন, এবার তাঁদের পাতে পড়তে পারে ইলিশ। কিন্তু করোনা আবহের জেরে এবং সংক্রমণের ভয়ে এখনি সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে অনিচ্ছুক মৎস্যজীবীরা। যারফলে এবার বর্ষায় বাঙালির পাতে কতটা রুপোলী শস্য পড়বে তা নিয়ে বেশ চিন্তায় স্থানীয় প্রশাসন থেকেশুরু করে ভোজন রসিক আমবাঙালি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ