মেদিনীপুরঃ  বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ। আর সেই কারণে দিঘাতে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত সমুদ্র স্নান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের জন্যে।

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তরফে চলছে কড়া নজরদারি। পূর্ব মেদিনীপুর ২২,২৩, ও ২৪ শে অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাত ও ঘুর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

তাই দিঘা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিঘা জুড়ে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুধু দিঘাই নয়, মন্দারমণি, শঙ্করপুর সহ একাধিক সৈকত শহর জুড়ে কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সমুদ্রে মৎস্য শিকার ও পর্যটকদের সমুদ্রে নামা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ পাওয়ার পরেই কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, সাগর প্রতিটি বন্দরে ফিরে এসেছে একাধিক ট্রলার।

জেলা প্রশাসন সমস্ত ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছে। তবে এবার পুজোর ছুটি কাটাতে দিঘাতে প্রচুর সংখ্যক পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে এমন সময় একদিকে করোনার আবহ তার সঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়ে দীঘায় বেড়াতে আসা বহু সংখ্যক পর্যটক সমস্যায় পড়লেন।

অন্যদিকে, মাইকে প্রচার চালানো হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। দুর্যোগের জেরে ষষ্ঠীর সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি, দিঘা প্রভৃতি এলাকায় বাজার হাট বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকি, বসেনি দিঘা মোহনার মাছের বাজারও। মোতায়েন করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.