স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফিল্ম স্কলারশিপ পেলেন তুফানগঞ্জের দিগন্ত দে। এই খবরে খুশি গোটা উত্তরবঙ্গের মানুষ। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, দিগন্তর এই খবর ছড়িয়ে পড়েছে সারা বাংলায়। সিনেমা অনুরাগীরা দিগন্তর এই অর্জনকে কুর্নিশ জানায়।

পাশাপাশি ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম মেকিঙের জন্য এবার এশিয়ার অন্যতম বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক পেলেন দিগন্ত। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাওয়া সুকোমল বসাককে নিয়ে ২০১৭ সালে দিগন্ত তৈরি করেছেন ‘রোড সাইড সায়েন্টিস্ট’ নামের একটি ফিচার ফিল্ম। ওই ছবি প্রদর্শিত হয় কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে। এছাড়াও নানা দেশের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখাও হয়েছে তথ্যচিত্রটি।

আগামী ৩ থেকে ১২ অক্টোবর সাউথ কোরিয়ার বুসান শহরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ২৪তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। সেই উৎসবে দিগন্তর হাতে প্ল্যাটফর্ম বুসান’ স্কলারশিপ তুলে দেওয়া হবে। ছোটবেলা থেকেই তথ্যচিত্র বানানোর দিকে দিগন্তর ঝোঁক। নেশাই হয়ে ওঠে পরবর্তী জীবনের পেশা। দিগন্ত দে তুফানগঞ্জ থেকে ছবি বানানোর উদ্দেশে পারি দেন কলকাতায়। পরে হায়দ্রাবাদেও বেশ কিছুদিন কাটান।

বিখ্যাত ফিল্ম মেকারদের বহু চর্চিত কাজ তাঁকে প্রভাবিত করে। ক্রমেই নিজের পথ খুঁজে পান তিনি। তবে সাফল্যের পথ একেবারেই সোজা ছিল না। নানা চরাই উৎরাই পেরিয়ে পৌঁছতে হয়েছে শীর্ষে। দিগন্তের তৈরি তথ্যচিত্রের প্রশংসা করেছেন বহু গুণীজন। বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আসরে তিনি তুলে ধরবেন নিজের জীবনের নানা অজানা কথা।

দিগন্ত সাম্প্রতিক ছবি ‘মনসুন ক্লিপস’ তৈরি করেছেন মোবাইলের সাধারণ ক্যামেরায়। মোবাইলের ক্যামেরায় বানানো ছবিটি তাক লাগিয়ে দেয় অনেককে। এটি তাঁর পঞ্চম ছবি। ছবিটি বানাতে সময় লেগেছে ১১ মাস। প্রতি বছর ২০ জনকে এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। বাঙালি হিসেবে দিগন্তই এই স্কলারশিপ প্রথম অর্জন করল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ