মুঙ্গের: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে বেশকিছু হামলাকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ছবি দেখে প্রত্যেককে গ্রেফতার করা হবে। ছোড়েঙ্গে নেহি কিসিকো-এমনই হুঙ্কার দিলেন মুঙ্গেরের ডিআইজি মনু মহারাজ।

এদিকে হিংসাত্মক ঘটনার তদন্তে নেমে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ফাঁড়িতে ঢুকে তাণ্ডব ও গুলি কার্তুজ লুঠ করা হয়। একশ রাউন্ডের বেশি কার্তুজ হামলাকারী বিভিন্ন গ্যাং ও মাওবাদীদের হাতে চলে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। সে কারণে উদ্বিগ্ন প্রশাসন।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ৩ নভেম্বর। ৯৪টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। মুঙ্গেরের সংলগ্ন বিভিন্ন আসন ও পার্শ্ববর্তী বেগুসরাই সহ অন্যান্য জেলায় জারি হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।

২৮ অক্টোবর প্রথম দফার নির্বাচনে মুঙ্গের সহ মাওবাদী উপদ্রুত ১৬টি জেলার ৭১ আসনে ভোট নেওয়া হয়। নির্বাচনের দিন কোনও হামলা হয়নি। কিন্তু প্রথম দফার ভোটের আগেই হিংসাত্মক পরিবেশ তৈরি হয় বিহারের বিভিন্ন কেন্দ্রে। কয়েকজন নেতা ও প্রার্থীকে খুন করা হয়। মুঙ্গের ও জামুই জেলার সীমানায় মাওবাদী বিরোধী বিরাট অভিযান চলে।

প্রথম দফা ভোটের আগে বিজয়া দশমীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে মুঙ্গের আচমকা উত্তপ্ত হয়। বিসর্জন ঘিরে সংঘর্ষে গুলি চলে। একজনের মৃত্যু হয়। আর প্রতিমার ঘিরে পুলিশের লাঠিচার্জে সমালোচনা আরও বাড়ে। ভোটের পরদিন মুঙ্গের হয়ে যায় হিংসার কেন্দ্র।

দুর্গা বিসর্জন ঘিরে সেই হিংসায় মুঙ্গেরের জনজীবন স্তব্ধ ছিল প্রায় একদিন। প্রশাসনের হাতের বাইরে চলে যায় মুঙ্গের। থানা আক্রান্ত, পুলিশের গাড়িতে আগুন, দোকান ভাঙচুর হয় যথেচ্ছ। তড়িঘড়ি মুঙ্গেরের এসপি লিপি সিং ও জেলা শাসককে সাসপেন্ড করা হয়।

অশান্ত মুঙ্গেরকে শান্ত করতে রাস্তায় নামেন জাঁদরেল আইপিএস তথা ডিআইজি মনু মহারাজ। আপাতত মুঙ্গের শান্ত। তবে থমথমে পরিস্থিতি। অপরাধীদের ধরতে বিশেষ তদন্ত চালাচ্ছেন সিংহম অফিসার মনু মহারাজ।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I