নয়াদিল্লি : দেশের করোনা বাড়ছে। সঙ্গে কমছে শয্যা এবং অক্সিজেনের পরিমাণ। এমন সময়ে এই সমস্ত তথ্যের জন্য কিছু ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে তা সরকারি উদ্যোগে হয়েছে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তা কিছু মানুষ নিজের উদ্যোগেই এই সমস্ত বিষয়ক তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট খুলেছেন। সোশ্যাল মাধ্যমে অনেকে সেই সব ওয়েবসাইটের লিঙ্ক শেয়ার করছেন।

যেমন দিল্লিতে কোভিডের জন্য কত শয্যা রয়েছে তা জানতে এই ওয়েবসাইটে নজর রাখতে হবে https://delhifightscorona.in/ লিঙ্কে। হাসপাতালে বেড, অক্সিজেন, প্লাসমা, কতটা রয়েছে তা জানতে এই ওয়েবসাইটে নজর রাখবেন দিল্লিবাসী https://blog.indianhelpline.com/2021/04/15/india-fights-covid/। করোনা সংক্রান্ত যে কোনও সাহায্যের জন্য বেঙ্গালুরু ওয়েবসাইট চালু করেছে। যার লিঙ্ক, https://covidhelplinebangalore.com/। করোনার মৃদু লক্ষণ থাকলে কী করবেন তা জানতে মুম্বইয়ের মানুষ appointment@nanvatihospital.org লিঙ্কে খোঁজ নিতে পারেন। রাঁচির মানুষ নজর রাখতে পারেন https://localsay.in/beds লিঙ্কে। এই সংক্রান্ত আরও সাহায্য ও তথ্যের জন্য আপনি নজর রাখতে পারেন , readytofightcovid.in , website www.cipla.com, https://dhoondh.com, http://needplasma.in/ লিঙ্কগুলিতে।

একাধিক রাজ্যে ভ্যাকসিনের ঘাটতি রয়েছে। তা স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে জানিয়েছে প্রায় সমস্ত রাজ্যই। কিন্তু মন্ত্রী এই বিষয়টি মানতে নারাজ যে ভ্যাকসিনের অভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন বলেছেন, ‘ভ্যাকসিনের কোনও ঘাটতি নেই। সরকারের তরফে প্রতিটি রাজ্যকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের উচিত ভ্যাকসিনকে বিভিন্ন সেন্টারে পৌঁছে দেওয়া। বিভিন্ন সেন্টারে যাতে সময়ের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে ভ্যাকসিন পৌঁছে যায়, সেই ব্যবস্থাই রাজ্যগুলির করা উচিত।

পাশাপাশি শিল্প ক্ষেত্রে অক্সিজেনের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভল্লা। হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে ২২ এপ্রিল থেকে শিল্পক্ষেত্রে অক্সিজেনের ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করছে কেন্দ্র।

জানা যাচ্ছে, রবিবার একটি বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে তেল, স্টিল, পরমাণু চুল্লি, বর্জ্য নিষ্কাশন প্ল্যান্টের ওষুধ শিল্প মতো ৯টি ক্ষেত্র ছাড়া অন্য কোনও শিল্প সংস্থা আগামী ২২ এপ্রিল থেকে শিল্প উৎপাদন খাতে অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারবে না। পাশাপাশি, রাজ্যগুলিকেও বলা হয়েছে, চিকিৎসায় অক্সিজেনের ব্যবহার বুঝেশুনে করতে।

অক্সিজেনের জোগান নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় রেলও৷ রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, ‘গ্রিন করিডর করে অক্সিজেন বহনকারি ট্রেন চালানো হবে৷ যাতে কম সময়ের মধ্যে তা গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়৷ অবিলম্বে এই রাজ্যগুলিতে ৬১৭৭ মেট্রিক টন অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে৷ সবথেকে পরিস্থিতি খারাপ যে রাজ্যের, সেই মহারাষ্ট্রকে দেওয়া হবে ১৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন৷ দিল্লি পাবে ৩৫০ মেট্রিক টন, উত্তর প্রদেশকে দেওয়া হবে ৮০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.