এই মুহূর্তে এমন কোন ব্যক্তি নেই যিনি ডায়েট (dieting) শব্দটি জানেন না এবং এই নিয়ে কখনো চর্চা করেননি। বিশ্বায়নের মুহূর্তে এই শব্দটিও নানাভাবে নানা ব্যক্তির কাছে ধরা দিয়েছে।

সুস্থ থাকতে এখন প্রতিটি মানুষই ডায়েটের দিকে ঝুঁকছে। তবে খুব কম মানুষই এবং বিশেষজ্ঞরাও রোগা হওয়ার জন্যে দীর্ঘ সময়ের জন্যে এক ধরনের ডায়েট (dieting) এর উপরে নির্ভর করেন না।

তবে বিজ্ঞানমনস্ক না হলে এমনটাই হয়। তবে স্বাস্থ্য কিন্তু আসলে আমাদের জীবনযাত্রার (lifestyle) প্রতীক।

এতদূর পড়ে অনেকের মনেই এখন প্রশ্ন জাগতে পারে যে তাহলে কি ডায়েট ফলো (dieting) করা ভুল নাকি বিভিন্ন ধরনের ডায়েট (dieting) বিভিন্ন সময় অনুসারে মেনে চলা ভুল?

নতুন একটি গবেষণা বলছে যে প্রথম কিছু মাস ধরে বেশিরভাগ ডায়েটিং (dieting) রোগা হওয়া এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে কাঙ্খিত ফল গুলি দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়।

আরো পোস্ট- খোঁজ মিললো স্লিপিং বিউটির! ৫ বছর ঘুমিয়ে রেকর্ড

তাই মানুষ ক্রমশই ডায়েটের (dieting) রূপ পাল্টাতে থাকে। তবে এতে আপনার ক্ষতি হতে পারে।

এর ফলে আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা (nutrition) মেটে না এবং পুষ্টিকর খাওয়ার থেকেও আপনি বঞ্চিত হন। এছাড়াও এই ডায়েটগুলি মেনে চলার ফলে রসনাতৃপ্তি থেকেও বঞ্চিত হওয়ার ফলে মন থেকে সেই তৃপ্তি ভাব আসে না।

এরপর ধীরে ধীরে দীর্ঘ সময়ের পর মেটাবলিজম (metabolism) নিয়ে সমস্যা হয় ও হজম, অম্বল, গ্যাসের মতো শারীরিক সমস্যা শুরু হয়।

তাই এভাবে ক্রাশ ডায়েট (crash diet) ব্যর্থ হওয়ার মূল কারণ হলো আমাদের শরীরে ডায়েটকে (dieting) গ্রহণ করা হয় একরকম অনাহারের (starvation) ভাবনা থেকে।

যতটা আপনার শরীরের শক্তি দরকার তার থেকে কম পরিমাণে খেলে মেটাবলিজম হার (metabolism) কমতে থাকে।

এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(immunity power)  কমে যায়। তাই আমাদের ক্ষুধা এবং মনের তৃপ্তি মেটাতে যে হরমোন গুলো ক্ষরিত হয় সেগুলি বাধাপ্রাপ্ত হয়।

তার ফলে দীর্ঘ সময় পড়ে এর থেকে হতে পারে অপুষ্টি। তাই জীবনধারার মান (lifestyle) সুস্থ রাখুন সুস্থ অভ্যেসের মাধ্যমে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.