রামপুর: প্রতিপক্ষ সমন্ধে তিনি কোনও আপত্তিকর মন্তব্য করেননি৷ স্পষ্ট জানিয়েদিলেন সমাজবাদী দলের নেতা আজম খান৷ অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের কথাও জানিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: বিপাকে পড়তে চলেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়

উত্তরপ্রদেশের রামপুরকে সমাজবাদী দলের নেতা আজম খানের গড় বলেই পরিচিত৷ রামপুর কেন্দ্র থেকে এবার এসপি প্রার্থী তিনি৷ বিপরীতে লড়ছেন বিজেপির জয়াপ্রদা৷ আজমেরই একসময়ের ঘনিষ্ট ছিলেন জয়া৷ ২০০৪. ০৯ সালের লোকসবা ভোটেও সাইকেল চিহ্নে জিতেই লোকসভায় যান তিনি৷ পরে দল বিরোধী কাজের জন্য মুলায়ম সিংয়ের দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়৷ দল বদলে এবার ফের রামপুর থেকেই পদ্ম শিবিরের প্রার্থী এই অভিনেত্রী৷

দিন পনের আগেই রামপুরে প্রচারে গিয়ে কেঁদে ফেলেন জয়া৷ জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রাণনাশের হুমকি ছিল৷ তাই নিজের কেন্দ্র রামপুর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি৷ মুখে না বললেও জয়ার নিশানায় থিলেন সমাজবাদী পার্টির ডাকসাইটে নেতা আজম খান৷ বিজেপি প্রার্থী জয়াপ্রদার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পদ্ম ও সাইকেল শিবিরের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়৷

রবিবার আজম খান নিজের রামপুরে কেন্দ্রে প্রচার সভা করেন৷ সেখানেই প্রতিপক্ষ বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি৷ স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে জয়াপ্রদার অভিযোগের কথা৷ সেখানে গেরুয়া দলের অভিনেত্রী প্রার্থী সমন্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করেন আজম খান৷ তাঁর অন্তর্বাসের রং নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি৷ বালেন, তিনি নাকি সতেরো দিনেই বুঝে গিয়েছিলেন জয়াপ্রদার অন্তর্বাসের রং খাকি। সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবের সামনেই এই কথা বলেন আজম খান৷

কুরুচিকর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিজেপি-এসপি অভিযোগ, পালটা অভিযোগের পালা৷ আজম খানের মন্তব্যের জন্য অখিলেশ সিং যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে জানায় বিজেপি৷ তারই প্রেক্ষিতে সোমবার আজাম খান বলেন, ‘‘আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ আমি কারোর নাম নিয়ে কোনও মন্তব্য করিনি৷ ফলে এতে কেউ অপমানিত হবেন বলে মনে হয় না৷ আমি ভুল প্রমাণিত হলে রাজনীতি ছেড়ে দেব৷’’

আরও পড়ুন: মোদীর চপারে রহস্যময় কালো বাক্স, অভিযোগ জানাল কংগ্রেস

তবে, থামছে না বিতর্ক৷ বিজেপির তিরে বিদ্ধ সমাজবাদী দল৷ প্রশ্ন উঠছে বর্তমানে রাজনীতির ভাষা নিয়ে৷