মাউন্ট মাউনগানুই: দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে সিরিজ খুঁইয়ে বলেছিলেন চলতি বছর টি-২০, টেস্টের তুলনায় ওয়ান-ডে আমাদের কাছে কম প্রাসঙ্গিক। আর তৃতীয় ম্যাচ হেরে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর ভারত অধিনায়কের মুখে নিজেদের পারফরম্যান্সের বড়াই।

মঙ্গলবার ম্যাচের পর বিরাট কোহলি বললেন কিউয়িদের বিরুদ্ধে সিরিজে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে, সেটা স্কোরবোর্ড দেখে বোঝার উপায় নেই। অর্থাৎ, হোয়াইটওয়াশ হতে হলেও পক্ষান্তরে সিরিজ শেষে দলের পাশেই দাঁড়ালেন ভারত অধিনায়ক।

এদিন মাউন্ট মাউনগানুইয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ডকে ২৯৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা দেয় টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ১৭ বল বাকি থাকতে হাসতে হাসতেই সেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এদিন কোহলি জানালেন, ‘সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমরা ভীষণভাবে লড়াইয়ে ছিলাম। সিরিজের তিনটি ম্যাচে আমাদের ফিল্ডিং আন্তর্জাতিক মানের ছিল না। মাঠে আমাদের আরও ইতিবাচক হওয়া প্রয়োজন ছিল। টি-২০ সিরিজে আমরা দারুণ খেলেছি। ওয়ান-ডে সিরিজে আমাদের হয়ে দু’জন নতুন ছেলের জন্য ভালো অভিজ্ঞতা হল। তবে টি-২০ সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর নিউজিল্যান্ড অনেক বেশি তৎপরতা দেখিয়েছে। যোগ্য দল দল হিসেবেই ৩-০ জিতেছে তারা।’

ওয়ান-ডে সিরিজের ফলাফল কী কোনওভাবে আসন্ন টেস্ট সিরিজে প্রভাব ফেলবে? উত্তরে কোহলি বলেন, ‘টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কারণে প্রত্যেকটি টেস্ট ম্যাচ আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দল যথেষ্ট ব্যালান্সড এবং আমার মনে হয় আমরা এখানে টেস্ট সিরিজ জিততে পারি। তবে সঠিক মানসিকতা নিয়ে আমাদের মাঠে নামতে হবে।’

উল্লেখ্য, কেএল রাহুলের চতুর্থ ওয়ান-ডে শতরান (১১২), শ্রেয়স আইয়ারের ৬২ রানের সৌজন্যে মঙ্গলবার তৃতীয় ওয়ান-ডে’তে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৯৬ রান তোলে ভারত। জবাবে শুরু থেকেই বিপক্ষ বোলারদের আক্রমণের পথ বেছে নেন মার্টিন গাপ্তিল। কিউয়ি ওপেনারের ৪৬ বলে ৬৬ রানের ইনিংস জয়ের মঞ্চ প্রস্তুত করে দেয় নিউজিল্যান্ডের।

মিডল ওভারে যুবেন্দ্র চাহালের ৩ উইকেট ভারতকে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরালেও অল-রাউন্ডার গ্র্যান্ডহোমের ২৮ বলে বিস্ফোরক ৫৮ রানের ইনিংস জয় সহজ করে দেয় কিউয়িদের। এছাড়াও ১০৩ বলে ৮০ রান করে ব্ল্যাক-ক্যাপসদের জ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আরেক ওপেনার হেনরি নিকোলস।