নয়াদিল্লি : আজও প্রচলিত ধ্যান ধারণার সঙ্গে মেলে না। গল্প বলেই মনে হয় যেন। অনেকেই জানেন না মসজিদ থেকেই বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন এক মুসলিম নারী। তিনি ফাতিমা বিনতে ফিহরি কুরাইশিয়া। তাঁর হাত ধরেই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

রেকর্ড বলছে ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ইতালির বোলোগনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয় ১০৮৮ সালে। আর তারও একশ বছর আগে তৈরি হয়েছিল আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, এই আল আজহারের প্রায় ১০০ বছর আগে প্রায় সাড়ে এগারশ বছর আগে মরক্কোর কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়। কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয় ফাতিমার হাত ধরে।

ফাতিমা কুরাইশ বংশের উত্তরাধিকারী ছিলেন। তাই তাঁর নামের সঙ্গে কুরাইশিয়া যুক্ত রয়েছে। তাঁর জন্ম আনুমানিক ৮০০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি। তিউনিশিয়ার কাইরাওয়ান শহরে জন্মেছিলেন তিনি। এই কাইরাওয়ান শহরটির গোড়াপত্তন করেন উমাইয়া সভ্যতার শাসকরা। ফাতিমার জন্মের কয়েক বছর পরেই তাঁর পরিবার মরক্কোর ফেজের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

ফেজ শহরে তখন নানা ধর্ম, বর্ণ জাতের মানুষের বাস ছিল। সেখানেই বড় হতে থাকেন ফাতিমা। শুরু করেন পড়াশুনা। আদি আরবি ভাষা, ইসলাম শিক্ষা ও হাদিস শাস্ত্রের ওপর পড়াশোনা করে জ্ঞান আহরণ করতে শুরু করেন তাঁরা। এরপর এই ফেজ শহরেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের কিছু বছরের মধ্যেই তাঁর স্বামী, বাবা, ও ভাইয়ের মৃত্যু হয়। পিতা ও স্বামীর সম্পত্তির অধিকারিণী হন ফাতিমা।

এই সম্পত্তি কাজে লাগিয়ে ফাতিমা ও তাঁর বোন মারিয়াম দুটি মসজিদ তৈরি করেন। মারিয়ম তৈরি করেন আন্দালুস মসজিদ ও ফাতিমা তৈরি করেন কারাউইন মসজিদ। ফেজ শহরে জমি কিনে মসজিদ তৈরি করেন তাঁরা। ইতিহাস জানায় এই মসজিদ তৈরির শুরুর দিন থেকে নির্মাণ শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি রোজা পালন করেছিলেন।

এই মসজিদের একাংশে তিনি গড়ে তোলেন মাদ্রাসা। ইসলামি শিক্ষা, ভূগোল, অঙ্ক, চিকিৎসাবিদ্যা, ইতিহাস, রসায়নের মতো বিষয় পড়ানো হত সেখানে। উল্লেখ্য এই মসজিদটি এখনও সেখানে রয়েছে। এমনকি রয়েছে মাদ্রাসাটিও। সাড়ে এগারোশ বছর ধরে সেখানে পাঠদানের ব্যবস্থা রয়েছে। এই মাদ্রাসাই ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। তৈরি হয় বিশ্ববিদ্যালয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।