মুম্বই: আজ তিনি নেই। স্মৃতির ধুল ঝেড়ে বন্ধু-প্রিয়জনেরা কত কথাই না বলছেন। বাজপেয়ী ফুচকা খেতে ভালবাসতেন। মাছ নাকি তাঁর খুব প্রিয় ছিল। কবিতা লিখতেন। অবসর সময়ে সিনেমা দেখে সময় কাটাতেন। ঝুড়ি ঝুড়ি কথা। এসবের মাঝে জানা গেল, অটল বিহারী ‘সীতা ওর গীতা’ সিনেমাটি ২৫ বার দেখেছিলেন। আর প্রিয় গান ‘কাভি কাভি মেরে দিল মে’ শুনে ফেলেছেন না জানি কতো হাজার বার!

মিস্টার বিরাহী বলিউডি সিনেমার ফ্যান ছিলেন। আর ছিলেন ড্রিমগার্লের জবরা ফ্যান। তাইতো প্রিয় নায়িকা হেমা মালিনি এই ছবিটি, তিনি একবার দু’বার নয়, পঁচিশবার দেখেছিলেন। এবং সেকথা কর্লার চড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে বলতেন। তবে শুধু ‘সীতা ওর গীতা’ নয়! প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রীর ফেভারিট হিন্দি সিনেমার লিস্টে ছিল, ১৯৬৬-এর ব্লকবাস্টার হিট মুভি ‘তিসরি কসম’। সেবছর জাতীয় মঞ্চে সেরা সিনেমার দৌড়ে জাতীয় সম্মান এসেছেন এই সিনেমার ঝুলিতে।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

আরও পড়ুন: বিদায়ের দিনে শুনে নিন ‘অটল-জগজিৎ-শাহরুখ’ মেলবন্ধনে তৈরি সেই গান

তবে শুধু পর্দার ভাললাগা নয়। বলিউডে তারকাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক ছিল তাঁর। অভিনেত্রী ওয়েদা রহেমানের কথায়, ” ওঁনার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা এতাটাই গভীর ছিল, যে আমি ওঁনাকে বাবার মতো সম্মান করতাম।” এছাড়া তাঁর লেখা কবিতায় জগজিৎ সিংয়ের সুর দিয়ে গানের অ্যালবাম বার করেছিলেন পরিচালক যশ চোপড়া। যেখানে পর্দায় দেখা গিয়েছিল শাহরুখ খানকে।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

এছাড়া বিভিন্ন সময়, নানান সিনেমার সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তাই সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, কবি এসব বিশেষণের সঙ্গে অটল বিহারী বাজপেয়ী নামের নামের শেষে মুভি লাভার নামটি অনায়াসেই যায়।