লস অ্যাঞ্জেলস: কয়েকদিন আগেই ব্রিটিশ রাজ পরিবারে রাজপুত্র হ্যারির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন মেগান মার্কলে। তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মেগান ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে ক্রমশ বেড়েছে কৌতূহল। গুগলে প্রতিনিয়ত সার্চ করা হচ্ছে মেগান সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে। তবে অনেকেই জানেন না যে তাঁর বাবা-মা এক ভারতীয় মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন।

মেগানের বাবা থমাস মার্কলে ও মা ডোরিয়া র‍্যাগল্যান্ড। ১৯৭৯-এ তাঁদের বিয়ে হয়। না, ভারতে এসে বিয়ে করেননি। তবে লস অ্যাঞ্জেলসে ভারতের মন্দিরের আদলে বানানো একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা।

মেগানের এক আত্মীয় জনসন সেই গল্প জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে।

লস অ্যাঞ্জেলসের সানসেট বুলেভার্ডে রয়েছে সেই মন্দির। যোগা ও হিন্দুধর্মের প্রতি নাকি আকর্ষণ রয়েছে মেগানের মায়ের। তাই এই মন্দিরকেই বেছে নিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় যোগী পরমহংস যোগানন্দ এই মন্দির তৈরি করেছিলেন। সেখানে ধ্যান এবং ক্রিয়াযোগও শেখানো হয়।

এই মন্দিরে মেগানের বাবা-মায়ের বিয়ে দিয়েছিলেন সেই যোগী যোগানন্দের ভাই ভক্তানন্দ। গেরুয়া বসন পরে দু’জনকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন তিনি। যোগার সঙ্গে এখনও মেগানের পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর মা ৬১ বছরের ডোরিয়া বর্তমানে একজন যোগা ইন্সট্রাকটর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.