নয়াদিল্লি: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কি মহাত্মা গান্ধীকে রক্ষা করত চেয়েছিল? সুপ্রিম কোর্টে এক জনস্বার্থ মামলায় এমন প্রশ্নই উঠে এসেছে। আগামী ৬ অক্টোবর এই সংক্রান্ত শুনানি রয়েছে। মামলাটি করেছেন ডক্টর পঙ্কজ ফাড়ণিশ, মুম্বইয়ের অভিনব ভারত সংস্থার জনৈক ট্রাস্টি। তাঁর দাবি, গান্ধী হত্যার ফের তদন্ত হোক, দেখা হোক, তা ইতিহাসের অন্যতম বড় ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনা কিনা।

মামলার আবেদনকারীর দাবি, দিল্লির মার্কিন দূতাবাস থেকে ১৯৪৮-এর ৩০ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে কয়েকটি টেলিগ্রাম যায়, তখন গান্ধীকে হত্যা করা হয়ে গিয়েছে। তৈরি হয় একটি রিপোর্টও। কিন্তু সেই রিপোর্টে কি বলা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। তিনি নিজে সেই একটি টেলিগ্রাম পড়ে দেখেছেন আমেরিকার ন্যাশনাল আর্কাইভস অ্যান্ড রিসার্চ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে গিয়ে। তাতে বলা হয়েছে, হার্বার্ট টম রিনার নামে জনৈক মার্কিন অফিসার গান্ধীর ওপর গুলি চলার সময় তার পাঁচ ফুটের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন, ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের সহায়তায় তিনি ধরে ফেলেন হত্যাকারীকে।

রিনার সেই সন্ধেতেই এ ব্যাপারে একটি রিপোর্ট ফাইল করেন। কিন্তু গান্ধী হত্যার ৭০ বছর পরেও তা প্রকাশ করা হয়নি। যে কটি টেলিগ্রাম সে সন্ধেয় মার্কিন দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে যা, জানা যায়নি তার একটির বক্তব্য। ফাড়ণিশের প্রশ্ন, সত্যিই কি শুধু গডসে হত্যা করেন গান্ধীকে না আরও কেউ এর সঙ্গে জড়িত ছিল? কোনও বিদেশি শক্তির এতে হাত ছিল কি?

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV