আর্কাইভ

স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: গড় হাতছাড়া হয়েছে সেই কবেই৷ প্রচারে বেরিয়ে পড়তে হচ্ছে কংগ্রেস কর্মীদের অসন্তোষে৷ আরও ফিকে লক্ষ্মণের ক্যারিশ্মা৷ ফলে হলদিয়ার লক্ষ্মণও বুঝছেন দল বদলেও বিশেষ লাভ হবে না৷ কিন্তু প্রতিপক্ষ প্রচারে বের হলেই লক্ষ্মণের উদ্দেশ্যে উড়ে আসছে কটাক্ষ৷

যেমন তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারীকে প্রতিপক্ষ সমন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলেই বলছেন, ‘‘লক্ষণ শেঠ তো গিরগিটি। রঙ পালটাচ্ছেন প্রতিদিন। তার বিশ্বাসযোগ্যতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা মানুষের মধ্যে নেই। তার সম্পর্কে বেশি কথা না বলাই ভালো।’’

আর্কাইভ

 

বাকিদেরও তেমন নম্বর দিচ্ছেন না পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলে দিব্যেন্দু৷ তমলুকের জোড়াফুল শিবিরের প্রার্থীর দাবি, ‘‘এখানে বিরোধী হিসেবেকাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মানুষ তাদের (বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস) চাইছে না, তাই তারা নেই।

শুক্রবার, তৃণমূল প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারীর সমর্থনে তমলুকের নিমতৌড়িতে শিক্ষক সভা হয়। শুক্রবার ওই শিক্ষক সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘‘এখনও অনেক কাজই বাকি আছে। কাজ তো কখনও শেষ হয় না।মানুষের চাহিদা, প্রত্যাশাও কখনও শেষ হয় না। নিশ্চিতভাবে আরও উন্নয়ন করতে হবে। কাজও করতে হবে। রাস্তাঘাট, পানীয়জলের উপর বেশি করে গুরুত্ব দেব।’’ তাঁর কথায়, হলদিয়া বন্দরে স্বশাসন জারি হবে। নন্দীগ্রামের অসমাপ্ত রেল প্রকল্পকে সম্পন্ন করব।