জলপাইগুড়িঃ রাভা পোশাকে সাজলেন ধূপগুড়ির বিধায়ক মিতালি রায়। আর যার ফলে বিধায়ককে চিনতেই পারলেন না বস্তিবাসীরা।

দিদিকে বলো প্রচারে ধূপগুড়ি খুট্টিমারি জংগলের গোসাই হাট বনবস্তীতে গিয়ে প্রথমে বঙ্গভূষন গনাত রাভার বাড়িতে যান বিধায়ক। এরপর সেখানে রাস্তা ব্রিজ সহ একাধিক বিষয়ে সমস্যার কথা শোনেন তিনি। রাভা সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় তুলে ধরার জন্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৮ সালে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গনাত রাভাকে বঙ্গভূষন সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

গনাত রাভার বাড়ি থেকে চলে যান মুকুন্দ রাভার বাড়িতে। সেখানে গেলে রাভা সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তাদের হাতে বোনা রাভা পোশাক পড়তে বিধায়ককে অনুরোধ করা হয়। আর তা ফেলতে পারেনি বিধায়ক। পোশাক পড়ার পর সবার সঙ্গে নৈশভোজও সারেন বিধায়ক। রাভা পোশাকে বিধায়ককে প্রথমে অনেকে চিনতেই পারেনি। পরে চিনতে পেরে বিভিন্ন অভাব অভিযোগ জানান। এরপর সেখানে শুরু হয় আরও বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ শোনার পালা। প্রায় রাত ১ টা পর্যন্ত চলে অভিযোগ শোনার পর্ব।

এরপর সকালে মর্নিং ওয়াক করতে বেরিয়ে পড়েন খুকলুং বনবস্তি ও গ্রাম এলাকায়। নদী পার হয়ে পুরো এলাকা চষে ফেলেন তিনি।

মিতালি রায় জানান, রাভা বস্তির ব্যাবহারে আমি আপ্লুত। রবিবার রাত ১ টা অবদি অভাব রয়েছে শোনার পর আজ সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই এলাকায় ছিলাম। রাভা পোশাকে আমাকে অনেক গ্রামবাসী চিনতে পারেনি। ফলে আরও ভালো হয়। মন খুলে কথা বলেন তারা। নদী ভাঙন, রাস্তা, ব্রিজ প্রভৃতি বিভিন্ন সমস্যার কথা আমাকে তুলে ধরেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।