demo pic

জলপাইগুড়ি: ময়নাগুড়ি-ধূপগুড়ির মাঝে দূরপাল্লার বাসে ডাকাতি৷ অসম থেকে বহরমপুর যাওয়ার পথে বাসে ডাকাতি৷ চালকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে যাত্রীদের মারধর করে লুটপাট চালিয়ে চম্পট দেয় ডাকাতদল৷ ময়নাগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে যাত্রীরা৷

সূত্রের খবর,সোমবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বাসটি ধূপগুড়ির কাছে এলে ৭-৮ জন দুষ্কৃতী যাত্রী সেজে বাসে ওঠে৷ অন্যান্য যাত্রীসহ বাসটি জলঢাকা সেতু পেরোতেই বাসের মধ্যে মারপিঠ শুরু হয়৷

একজন যাত্রী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দুষ্কৃতীরা প্রথমে চালকের মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে তাকে চালককে আসন থেকে সরিয়ে দেয়৷ এরপর তারা নিজেরাই বাসটিকে চালিয়ে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে আসে৷ তারপর মারধর করে যাত্রীদের সর্বস্ব লুঠ করে বাস থেকে নেমে চম্পট দেয়৷

দুষ্কৃতীদের মারে বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর৷ ঘটনার পর বাস চালক ও যাত্রীরা ময়নাগুড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন৷ ওই ডাকাত দলের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ৷

যদিও এর আগে দেশের একাধিক রাজ্যে এটিএমে চুরির মূল দুই পান্ডাকে গ্রেফতার করেছিল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ৷ বছর দু’য়েক আগে জলপাইগুড়িতে একটি এটিএমে চুরির ঘটনায় দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল৷

সেই ঘটনা তদন্তে নেমে হরিয়ানায় অভিযান চালায় পুলিশ। শেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ে এটিমএমে চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত মোহাম্মদ হাসিম এবং মোহাম্মদ মুস্তাফির।

২০১৮ ও ২০১৯ সালে জলপাইগুড়িতে পৃথক দুটি এটিমএমে ডাকাতি হয়। গ্যাসকাটার দিয়ে কেটে এটিএম তুলে নিয়ে যায় এই দুই দুষ্কৃতী। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ও বিভিন্ন সূত্র মারফত তদন্ত শুরু করে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

তদন্তে নেমে জানা যায় দুই দুষ্কৃতী পালিয়ে হরিয়ানায়া গিয়ে লুকিয়েছে। সেই মতো হরিয়ানায় অভিযানে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে পুলিশ। আগে থেকে গোটা ঘটনা জানানো হয় হরিয়ানার স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে।

শেষে হরিয়ানার নির্দিষ্ট একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতচার করে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার পুলিশ৷ এবার এই ডাকাত দলের খোঁজ কতদিনে পান ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ৷ তা সময়ই বলবে৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।