রাঁচি: বুধবার আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছে দুঃসংবাদ। করোনায় আক্রান্ত হলেন বিশ্বজয়ী অধিনায়কের মা দেবকী দেবী এবং পিতা পান সিং। রাঁচির এক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে দু’জনের।

সবমিলিয়ে কোভিডে আক্রান্ত মা-বাবার দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়েই বুধবার নাইটদের বিরুদ্ধে চেন্নাই’য়ের হয়ে চতুর্থ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামতে হবে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। তবে রাঁচির পালস সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের তরফ থেকে পাওয়া শেষ খবর অনুযায়ী ধোনির মা-বাবার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা আপাতত স্থিতিশীল। তিনবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস গত মরশুমে মরুশহরের আশানরূপ পারফরম্যান্স করতে ব্যর্থ হয়েছিল।

তবে চলতি আইপিএলে প্রথম তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টিতে জয় পেয়েছে তারা। আপাতত সদলবলে মুম্বইতে রয়েছেন মাহি। কোভিড আবহে আইপিএলে বিসিসিআই প্রস্তাবিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিওরের গেরোয় জৈব বলয় ছেড়ে বেরনোর উপায় নেই ধোনির। পাশাপাশি দল সাফল্য পেলেও ব্যাট হাতে ধোনি এখনও ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। প্রথম তিন ম্যাচে এখনও অবধি কুড়ির গন্ডি পেরোননি চেন্নাই দলনায়ক। তবে অধিনায়ক হিসেবে যে তিনি এখনও ক্ষুরধার, সে কথা জানান দিয়ে চলেছেন মাহি।

গত ম্যাচে ওয়াংখেড়েতে প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাই’য়ের ছুঁড়ে দেওয়া ১৮৯ রানের লক্ষ্যমাত্রার সামনে কার্যত আত্মসমর্পণ করে রাজস্থান রয়্যালস। জাদেজা-মইনের ঘূর্ণিতে ধরাশায়ী রয়্যালস ১৪৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি। আর ম্যাচ জিতে ধোনি বলেন তাঁর ইনিংসের মন্থর শুরু দলের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারত। চেন্নাই দলনায়কের কথায়, ‘আমরা আরও রান করতে পারতাম। আমি যে প্রথম ছ’টা বল খেলেছি সেটা অন্য ম্যাচ হলে বিপদ ডেকে আনতে পারত।’

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে মাহি বলেন, ‘তুমি যখন খেলছো তখন চাইবে কেউ যাতে তোমায় আনফিট বলতে না পারে। কিন্তু পারফরম্যান্সের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমার যখন ২৪ বছর বয়স ছিল তখন যেমন পারফরম্যান্সে নিশ্চয়তা ছিল না, ৪০ বছরে এসেও সেই নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে এটুকু বলতে পারি কেউ আমার ফিটনেসের দিকে আঙুল তুলতে পারবে না। আর সেটাই ইতিবাচক দিক আমার কাছে। তরুণ ছেলেগুলো প্রচুর দৌড়য়। ওদের চ্যালেঞ্জ জানাতে ভালোলাগে।’

টানা দু’তো ম্যাচ হেরে মনোবল তলানিতে নাইটদের। সবমিলিয়ে নাইটদের হারিয়ে বুধবার টুর্নামেন্টে তৃতীয় জয়ের খোঁজে ধোনিব্রিগেড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.