রাঁচি: প্রায় এক বছরের জন্য জাতীয় দলের বাইরে৷ তবুও আফগানিস্তানের ক্রিকেটার মহম্মদ নবিকে প্রভাবিত করেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ তাঁর খেলার উপর প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের প্রভাবের প্রশংসা করেন এই আফগান ক্রিকেটার৷ শুধু তাই নয় দু’টি বিশ্বকাপ জয়ী ভারত অধিনায়কের প্রশংসা করে ধোনিকে “দুর্দান্ত মানুষ” অ্যাখ্যা দিলেন নবি৷

৩৮ বছর বয়সি এই যুবক ২০০৪ সালে সাদা বলের ক্রিকেটে নিজের শক্তিশালী বলয়ের মাধ্যমে প্রথমে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন৷ পরে উইকেটকিপার হিসাবে উন্নতির পরে তিনি ভারতের হয়ে তিনটি ফর্ম্যাটেই মূল ভিত্তিতে পরিণত হন। তার অধিনায়কত্বে ভারত তিনটি বড় আইসিসি-র শিরোপা যেতে৷ ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ, ২০১১ ওয়ান ডে বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে ধোনির ভারত৷

মাঠের লড়াই ধোনিকে কিংবদন্তি স্ট্যাটাস দিয়েছে৷ পাশাপাশি রাঁচির রাজপুত্র বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবীন্দ্র জাদেজা, সুরেশ রায়না, রবিচন্দ্রন আশ্বিনের অনেক ক্রিকেটারের কেরিয়ার গড়তে সহায়তা করেছেন।

আনিস সাজানের সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনে আফগানিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক নবি জানান যে, কীভাবে ধোনির তাঁর খেলার উপর প্রভাব ফেলেছে। নবি বলেন, ‘এমএস ধোনিই সেরা…শান্ত ও দুর্দান্ত মানুষ। তাঁর ঘরের দরজা প্রত্যেকের জন্য ২৪x৪ খোলা থাকে৷ যেখানে তিনি লোকদের সঙ্গে চা পান করেন এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। আমিও ওর সঙ্গে ২-৩ বার সাক্ষাত করেছি৷ সত্যই ও একজন সুন্দর মানুষ৷’

নবি ছাড়াও আফগান উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মহম্মদ শাহজাদ এবং লেগ-স্পিনার রশিদ খানের পছন্দও ধোনি৷ দু’জনের মুখেই এর আগে ধোনির প্রশংসা শোনা গিয়েছে। এমনকি আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (এসআরএইচ) এর সঙ্গে স্টিন চলাকালীন নবি ও রশিদ ধোনির সঙ্গে খেলেছেন।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ধোনির প্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তন স্থগিত হয়ে যায়৷ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ (আইপিএল) মার্চে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় দলে তাঁর সম্পৃক্ততার অভাবে, সুনীল গাভাস্কর, এবং কপিল দেবের মতো প্রাক্তন কিংবদন্তি বিশ্বাস করেন যে, এর ফলে ধোনির পক্ষে আন্তর্জাতিক প্রত্যাবর্তন করা খুব কঠিন হয়ে গেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.