নয়াদিল্লি: আগে দলের বাকি সব খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফরা ঠিকভাবে বাড়ি পৌঁছবেন, তার পরেই মহেন্দ্র সিং ধোনি রাঁচিতে নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। এমন কথা তাঁর সতীর্থদের জানিয়ে দিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের ক্যাপ্টেন। সতীর্থদের সঙ্গে হওয়া এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই কথা স্পষ্টভাবে সবাইকে বলে দেন মাহি।

ধোনি এই ভার্চুয়াল বৈঠকে বলেন, তিনি প্রথমে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিজের নিজের দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার অপেক্ষা করবেন। তারপর তাঁর ভারতীয় সতীর্থরা যে যার নিজের শহরের উদ্দেশ্যে ঠিকভাবে রওনা হওয়ার পরেই তিনি দিল্লির টিম হোটেল থেকে রাঁচিতে নিজের বাড়ির জন্য রওনা দেবেন। ধোনির নেতৃত্বে ২০২১ আইপিএল দারুণ ছন্দে ছিল সুপার কিংস৷ সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতে প্রথম চারে ছিল ধোনি অ্যান্ড কোং৷

ধোনি বিদেশি খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের প্রথম সুযোগ দেওয়ার কারণ হিসেবে বলেন, আইপিএল যেহেতু ভারতে অনুষ্টিত হচ্ছে তাই তাঁদের বাড়ি ফেরার প্রথম সুযোগ পাওয়া উচিত। এবং তারপরেই দেশের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফেরা নিজের নিজের বাড়ি ফেরার সুযোগ পাবে।

এই বিষয়ে চেন্নাই সুপার কিংস দলের এক সদস্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে বলেন, “মাহি ভাই বলেছেন তিনি সবার শেষে হোটেল ছাড়বেন। আগে বিদেশি খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফেরা নিজের নিজের দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে, তারপর দেশের খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফেরা নিজের নিজের শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। এবং সবাই নিজের নিজের দেশে ও শহরে সুরক্ষিতভাবে পৌঁছে যাওয়ার পর তিনি কাল সবার শেষ বিমান ধরে রাঁচির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।”

চেন্নাই সুপার কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের দলের সদস্যদের জন্য দিল্লি থেকে চার্টার বিমানের আয়োজন করেছে। দশ আসনের একটি বিমান সকালে কিছু খেলোয়াড়দের নিয়ে রাজকোট ও মুম্বই-এর উদ্দেশ্যে উড়ে যায় ও তাঁদের সংশ্লিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেয়। বিকেলে বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের খেলোয়াড়দের তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হয়ে যাওয়ার পর ধোনি বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের শহর রাঁচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে এর আগে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে করোনা আক্রান্ত সিএসকে-র দুই সাপোর্ট স্টাফ মাইক হাসি ও লক্ষ্মীপতি বালাজিকে চেন্নাইয়ে নিয়ে আসা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.