নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচক কমিটি বোর্ডের বেতনভুক ক্রিকেটার হিসেবে ছেঁটে ফেলেছে বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। তবে গোটা সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়েছে মাহি’কে জানিয়েই। পিটিআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন এক বিসিসিআই আধিকারিক। তবে চলতি বছর তিনি যদি বেশ কিছু টি-২০ ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেন তাহলে ফের পুরনো জায়গা ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাহির। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন সে কথাও।

তবে বোরডের চুক্তি থেকে জার্সি নম্বর ৭’কে বাতিল করার ঘটনা যে রাতারাতি ঘড়েনি, সেটাও স্পষ্ট করা হয়েছে আধিকারিকের কথায়। ধোনিকে জানিয়েই গৃহীত হয়েছে সিদ্ধান্ত। এ প্রসঙ্গে ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘আমি একটা বিষয় পরিষ্কার করতে পারি যে শীর্ষস্থানীয় বিসিসিআই কর্তারা এব্যাপারে ধোনিকে সমস্ত পদ্ধতিগত দিক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করেন। ধোনিকে সাফ জানানো হয় সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে আজ অবধি দেশের হয়ে কোনও ম্যাচে তুমি মাঠে নামোনি। যা এযাত্রায় ত্মার আর্থিক চুক্তি পুনর্নবীকরন সম্ভব নয়।’

এবার প্রশ্ন হল সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, সচিব জয় শাহ নাকি সিইও রাহুল জোহরি। ধোনির সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলেছেন কে? এবিষয়ে যদিও স্পিকটি নট বোরডের ওই আধিকারিক। এব্যাপারটি তিনি কোনভাবেই খোলসা করবেন না বলে জানান। তবে গোটা প্রোসেসটা যে নিয়ম মেনেই হয়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। জানান ওই আধিকারিক।

তিনি আরও জানিয়েছেন ধোনি অক্টোবর ২০২০ আগে অস্ট্রেলিয়ায় যদি টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক ম্যাচ খেলেন তবে স্বাভাবিক নিয়মেই তিনি ফের চুক্তিবদ্ধ হবেন। বিষয়টা এমন নয় যে তাঁকে সবক শেখাতে এটা করাতে হয়েছে। এটা করা হয়েছে কারণ তিনি ম্যাচই খেলেননি। উল্লেখ্য, বোর্ডের বর্তমান নিয়মানুসারে একজন ক্রিকেটারের জন্য বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ন্যূনতম শর্ত হল সংশ্লিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্তত তিনটি টেস্ট অথবা আটটি ওয়ান-ডে খেলা। কিংবা নির্দিষ্ট পরিমাণ টি-২০ ম্যাচ খেলেও একজন ভারতীয় ক্রিকেটার বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার হতে পারেন।