নয়াদিল্লি: ধোনির অবসর নিয়ে জল্পনা ভারতীয় ক্রিকেটে যেমন চর্চার শিরোনামে, তেমনই মাহির অবসরোত্তর জীবন নিয়ে নানা পরিকল্পনা ইদানিং হট কেকের বিকোচ্ছে বিভিন্ন মহলে। অবসরের পর ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিতে পারেন ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। জল্পনা উসকে দিয়ে জানিয়েছেন খোদ প্রাক্তন কেন্দীয় মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সঞ্জয় পাসোয়ান।

অবসর গ্রহণের পর কী করবেন তা ধোনির একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, কিন্তু ভারতের টেরিটোরিয়াল আর্মির লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র সিং ধোনি বাইশ গজে অবসর গ্রহণের পর যদি যোগদান করেন আর্মিতে! অবাক হচ্ছেন তো? হ্যাঁ, এমনই অবাক করার মত সিদ্ধান্তই নাকি নিয়েছেন ধোনি। জানালেন মাহির খুব কাছের এক বন্ধু। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ধোনির সেই বন্ধু জানিয়েছেন গ্লাভস-প্যাড তুলে রাখার পর নাকি টেরিটোরিয়াল আর্মিতে কোনও দুর্গম জায়গায় পোস্টিং নেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক।

মাহির কাছের সেই বন্ধুর কথামতো অবসরগ্রহণের পর মাহির লক্ষ্য নিঃস্বার্থ ভাবে দেশের সেবা করা। এবং এবিষয়ে খুব শীঘ্রই ভারতীয় সেনার কাছে আবেদন করবেন তিনি। ধোনির বন্ধুর কথা অনুযায়ী, ‘এমনও হতে পারে সিয়াচেনের প্রচন্ড ঠান্ডায় সৈনিক হিসেবে দেশরক্ষার দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারেন মাহি। খুব শীঘ্রই সেনার কাছে এব্যাপারে ইচ্ছেপ্রকাশ করবেন তিনি। পরের সিদ্ধান্তটা অবশ্যই সেনাবাহিনীর।’

প্রসঙ্গত, আট বছর আগে ভারতের বিশ্বজয়ের কয়েকমাস বাদে ধোনিকে তাঁদের সাম্মানিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে আসীন করে ভারতের টেরিটোরিয়াল আর্মি। তাই পরবর্তীতে বন্ধুর কথা সত্যি প্রমাণ করে মাহিকে দেশসেবা করতে দেখলে খুব অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে ভবিষ্যতের কথা ভেবে এবিষয়ে ধোনি ভেবেচিন্তেই পদক্ষেপ নিতে চান বলে জানান ধোনির সেই বন্ধু।

দিনকয়েক আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সঞ্জয় পাসোয়ান জানান, অবসরগ্রহণের পর বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। এবিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে দলের কথাবার্তা চলছে। তবে বাইশ গজ থেকে অবসরগ্রহণের পরেই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্দান্ত গৃহীত হবে বলে জানান তিনি। পাসোয়ানের কথা সত্যি করে রাজিনীতিতে নাকি বন্ধুর কথা সত্যি করে দেশসেবা, কোন পথ বেছে নেন মাহি। সেটা সময় বলবে। আবার এমনও হতে পারে মাহি চলবেন তাঁর আপন খেয়ালেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।