রাঁচি: টিম ইন্ডিয়ার ‘ক্যাপ্টেন কুল’ মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং সাক্ষী সিং রাওয়াতের বৈবাহিক সম্পর্ক একদশক ছুঁই ছুঁই৷ এই মুহূর্তে রাঁচিতে নিজের বাড়িতে ছুটি কাটাচ্ছেন এমএসডি৷ তাঁর ক্রিকেট জীবন থেকে অবসরের জল্পনা চলছে। যদিও এই বিষয়ে কখনই কিছু মন্তব্য করেননি ধোনি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠদের মতে,খুব শীঘ্রই আবার ব্যাট হাতে দেখা যাবে মিস্টার ক্যাপ্টেন কূলকে। তবে শোনা যাচ্ছে এখন তিনি একটি সেনাবাহিনীকে নিয়ে টেলিভিশনে অনুষ্ঠানের প্ল্যান করছেন। কীভাবে টিভিতে এই প্রোগ্রাম চলবে তার প্লট  তৈরি করছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সান্মানিক পদে থাকা মহেন্দ্র সিং ধোনি।

২০১০-এ ধোনি ও সাক্ষীর বিয়ে হয়েছিল। ইতিমধ্যেই তাঁদের ঘরে এসেছে কন্যাসন্তান জিবা। এককথায় সুখী দম্পতি। তবে দু’জনের মধ্যে প্রেমটা শুরু হয়েছিল আরও তিনবছর আগে৷ ধোনি একটু চাপা স্বভাবের। তিনি কাল কি করবেন সেটা, তা কেই জানেন না৷ তাঁর সিদ্ধান্ত যে কাকপক্ষীও টের পায় না, সেটা সবাইকে অবাক করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে ধোনির হঠাৎ অবসরের সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা গিয়েছিল৷

দেশের অন্যতম সেরা সেলিব্রিটি হলেও ধোনির বিয়ের কথাও আগেভাগে বাইরে আসেনি। সবকিছু ফাঁস করে দেন বলিউডের এক অভিনেত্রী৷ তিনিই প্রথম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন ধোনি-সাক্ষী সম্পর্কের কথা৷ তাঁদের বিয়ের কথাও সেই বাঙালি অভিনেত্রী গোটা দেশকে জানিয়ে দিয়েছিলেন৷

সাক্ষী সিং রাওয়াতকে বিয়ের অনেক থেকেই জানতেন ধোনি। সাক্ষী ও ধোনির বাবা একই সংস্থায় চাকরি করতেন৷ সেই সূত্রে দুই পরিবারই একে অপরকে চিনত।

কিন্তু ধোনি ও সাক্ষী একে অপরের প্রেমে পড়েন অনেক পরে৷ ২০০৭-এ ধোনি ও সাক্ষীর মধ্যে দেখা হয় কলকাতার তাজ বেঙ্গল হোটেলে। সেখান থেকেই দু’ জনের সম্পর্কের সূত্রপাত। ধোনির এক বন্ধুর মাধ্যমে প্রথমে ফোননম্বর চালাচালি হয়। তার পরে সাক্ষীকে এসএমএস করে প্রোপোজ করেন ধোনি। রাজি হয়ে যান সাক্ষী৷ এভাবেই শুরু হয় দু’ জনের সম্পর্ক। তবে ধোনি ও সাক্ষী যে বিয়ে করতে চলেছেন তা কেউই জানতেন না। বিষয়টা ফাঁস করে দেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিপাশা বসু। তিনি আবার ধোনির খুব ভাল বন্ধু। বিপাশাই প্রথম ধোনি এবং সাক্ষীর মধ্যে বিয়ের খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানান৷