নয়াদিল্লি: আর মাত্র দু’সপ্তাহ পরেই ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের মাটিতে বসছে দ্বাদশ ওয়ান ডে বিশ্বকাপ৷ ৩০ মে কেনিটংন ওভালে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি আয়োজক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা৷ ভারত বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে ৫ জুন৷ টাইটানিকের শহর সাউদাম্পটনের রোজ বোলে বিরাটদের প্রথম প্রতিপক্ষও দক্ষিণ আফ্রিকা৷ বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করার ব্যাপারে আশাবাদী টিম ইন্ডিয়ার বাঁ-হাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান৷

২০১০ ভারতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত তিনটি আইসিসি-র টুর্নামেন্ট খেলেছেন ধাওয়ান৷ তিনটি টুর্নামেন্টেই সফল দিল্লির এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান৷ অভিষেক ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর ২০১১ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে জায়গা হয়নি ধাওয়ানের৷ পরে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ফের জাতীয় দলে ফেরেন বাঁ-হাতি ওপেনার৷ ক্যারিবিয়ান সফরটাও ভালো হয়নি ধাওয়ানের৷ ফলে দল থেকে বাদ পড়েন দিল্লির এই মারকুটে ব্যাটসম্যান৷

দু’ বছর পর ফেরে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঘটে ধাওয়ানের৷ মার্চ, ২০১৩ ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারতীয় দলে ডাক পান বাঁ-হাতি ওপেনার৷ টেস্ট অভিষেকে ১৮৭ রানের ইনিংস খেলে জাতীয় দলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেন ধাওয়ান৷ তার পর অবশ্য পিছনে তাকাতে হয়নি ধাওয়ানকে৷ সে বছর ইংল্যান্ডের মাটিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দারুণ ব্যাটিং করেন তিনি৷ প্রথম দু’টি ম্যাচেই সেঞ্চুরি আসে ধাওয়ানের ব্যাট থেকে৷ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ১১৪ ও অপরাজিত ১০২ রানের ইনিংস খেলেন দিল্লির এই ব্যাটসম্যান৷

মুলত ধাওয়ানের ব্যাটিংয়ে ভর করে প্রথমবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে ভারত৷ টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ৩৬৩ রান তোলেন তিনি৷ তার পর ২০১৫ বিশ্বকাপে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন ভারতের এই বাঁ-হাতি ওপেনার৷ বিশ্বকাপে ৪১২ রান তোলেন ধাওয়ান৷ এর পর ২০১৭ ইংল্যান্ডের মাটিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও দারুণ ব্যাটিং করেন তিনি৷ টুর্নামেন্টে ভারত রানার্স হলেও ৩৩৮ রান আসে ধাওয়ানের ব্যাট থেকে৷ পাঁচ ম্যাচে একটি সেঞ্চুরি এবং দু’টি হাফ-সেঞ্চুরি করেন বাঁ-হাতি ওপেনার৷

এ সম্পর্কে ধাওয়ান বলেন, ‘অনেকে বলে আইসিসি ইভেন্টে আমার পারফরম্যান্স ভালো৷ কিন্তু আমার লক্ষ্য সবসময় একই থাকে৷ সবসময় ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি৷ আশা করি এবারের বিশ্বকাপেও পারফর্ম করতে পারব৷’ সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ৫২১ রান করেছেন ধাওয়ান৷