জয়পুর: প্রথম তিন ম্যাচে বিশেষ সফল হতে পারেননি। কিন্তু বিজয় হাজারে ট্রফির চতুর্থ ম্যাচে ঝোড়ো শতরান করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে নামার আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে রাখলেন শিখর ধাওয়ান। আর ‘গব্বরে’র ব্যাটেই বিজয় হাজারে ট্রফিতে তৃতীয় জয়টি তুলে নিল দিল্লি। মাত্র ৪ বল বাকি থাকতে মহারাষ্ট্রকে এদিন উত্তেজক ম্যাচে ৩ উইকেটে হারিয়ে দিল তারা। ১১৮ বলে মারকাটারি ১৫৩ রানের ইনিংস খেললেন ধাওয়ান।

জয়পুরে প্রথমে ব্যাট করে এদিন কেদার যাদব এবং আজিম কাজির ব্যাটে বড় রানে ভর করে স্কোরবোর্ডে ৩২৮ রান তোলে মহারাষ্ট্র। ৮১ বলে ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন যাদব। কাজির ব্যাটে আসে ৭৩ বলে ৯১ রান। জবাবে ধ্রুব শোরের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে ১৩৬ রান তুলে দিল্লির জয়ের ভিত গড়ে দেন শিখর ধাওয়ান। এরপর ধ্রুব শোরে ৬১ রান করে আউট হলেও থামানো যায়নি ‘গব্বর’কে। ২৭ রান করে আউট হন নীতিশ রানা। চতুর্থ উইকেটে ক্ষিতিজ শর্মার সঙ্গে জুটি বেঁধে ১০১ রান যোগ করেন ধাওয়ান। ৩৫তম ওভারে ৮৭ বলে শতরান পূর্ণ করেন তিনি।

শতরান করে আরও মারমুখী হয়ে ওঠেন দিল্লি ব্যাটসম্যান। দেড়শতরান পূর্ণ করে ৪৫ ওভারে ধাওয়ান যখন আউট হন, তখন ৬ ওভারে ৩০ রান প্রয়োজন দিল্লির। হাতে পাঁচ উইকেট। ভারতীয় দলের ওপেনারের ইনিংস সাজানো ছিল ২১টি চার এবং একটি ছয়ে। এরপর জোড়া উইকেট হারালেও দিল্লির জয় আটকায়নি। ২৬ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দিল্লিকে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেন ললিত যাদব। ৭ রানে অপরাজিত থাকেন প্রদীপ সাঙ্গুয়ান। জয়ের ফলে নক-আউটে যাওয়ার আশা দারুণভাবে জিইয়ে রাখল দিল্লি।

অন্য ম্যাচে জম্মু-কাশ্মীরকে ৮২ রানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে জয়ে ফিরল বাংলা। ব্যাট হাতে এদিন বাংলার জয়ের নায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। এক রানের জন্য এদিন শতরান হাতছাড়া করেন তিনি। ১০৫ বলে ৯৯ রান করেন ঈশ্বরণ। অনুস্টুপ মজুমদার অপরাজিত থাকেন ৮৪ বলে ৯২ রানে। এছাড়া অর্ধশতরান আসে ঋত্বিক রায়চৌধুরির ব্যাট থেকে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৬৮ রান করে বাংলা।

জবাবে ৪৫.৩ ওভারে ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায় জম্মু-কাশ্মীর। বল হাতে বাংলার নায়ক অর্ণব নন্দী নেন ৪ উইকেট। চার ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে এলিট-ই গ্রুপে তিন নম্বরে উঠে এলেও শেষ আটে যাওয়ার আশা কার্যত শেষ বাংলার। প্রথম ম্যাচ জিতলেও গত দু’ম্যাচে হেরে নক-আউটে যাওয়ার রাস্তা হারিয়ে ফেলে অনুস্টুপের বাংলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।