দুবাই: টানা দু’টি ম্যাচে সেঞ্চুরি৷ আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার৷ আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের বাঁ-হাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান৷ আর মঙ্গলবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করে নজির গড়লেন ‘গব্বর’৷

ধাওয়ানের চওড়া ব্যাটে ভর করে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের সামনে ১৬৫ রানের টার্গেট দিল্লি ক্যাপিটালস৷ ১০৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপারিজত থাকলেন দিল্লির এই বাঁ-হাতি ওপেনার৷ অর্থাৎ ওপেন করতে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ‘ক্যারি দ্য ব্যাট’ করে টি-২০ ক্রিকেটে নজির গড়লেন ধাওয়ান৷ তাঁর চওড়া ব্যাটে ৫ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস৷

কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের বোলারদের বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকই আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন ধাওয়ান৷ হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন মাত্র ২৮ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কা মেরে৷ অন্য প্রান্তে যখন কোনও ব্যাটসম্যান বেশিক্ষণ ক্রিজে কাটাতে পারেননি, তখন তিনি স্বমহিমায় ব্যাট করে গেলেন গব্বর৷ ৫৭ বলে এক ডজন বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন ধাওয়ান৷ শেষ পর্যন্ত ৬১ বলে ১২টি চার ও ৩টি ছয় মেরে ১০৬ রানে অপরাজিত থাকেন দিল্লির এই বাঁ-হাতি ওপেনার৷ স্টাইক-রেট ১৭৩.৭৭৷

ধাওয়ান যেখানে সেঞ্চুরি করলেন, সেখানও দিল্লির অন্য কোনও ব্যাটসম্যান ১৫ রানের গণ্ডি টপকাতে পৌঁছতে পারেননি৷ টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার৷ কিন্তু শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি তাদের৷ এদিন বড় রান করতে পারলেন না অন্য ওপেনার পৃথ্বী শ৷ ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন পৃথ্বী৷ রান পাননি ক্যাপ্টেন আইয়ারও৷ মাত্র ১৪ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন তিনি৷

এরপর ঋষভ পন্ত, মাকার্স স্টওনিস এবং শিমরন হেটমাইয়ারও রান পাননি৷ তিন জনে যথাক্রমে ১৪, ৯ ও ১০ রান করেন৷ একা ইনিংসকে টেনে নিয়ে যায় ধাওয়ান৷ সেঞ্চুরির আগেই এদিন আরও একটি মাইলস্টোন টপকে যান দিল্লির এই বাঁ-হাতি ওপেনার৷ আইপিএলে এদিন ৫০০০ রানের মাইলস্টোন টপকে যান তিনি৷ তাও আবার ছক্কা হাঁকিয়ে৷ তবে পঞ্জাবের হয়ে এদিনও দারুণ বোলিং করেন মহম্মদ শামি৷ ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন এই ডানহাতি পেসার৷

শনিবার শারজায় চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধেও অপরাজিত সেঞ্চুরি এসেছিল ধাওয়ানের ব্যাটে৷ রান তাড়া করতে নেমে ১০১ রানে অপরাজিত থেকে দিল্লিকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ধাওয়ান৷ ৫৮ বলের ইনিংসে সেদিন ১৪টি বাউন্ডারি এবং একটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন ‘গব্বর’৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।