সৌমেন শীল, নয়াদিল্লি: চিটফান্ডকাণ্ডে কলকাতা পুলিশ কমিশনার বনাম সিবিআই কাণ্ডে মেট্রো চ্যানেলে ধর্ণায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তারপর দিল্লিতে যন্তর মন্তরের সামনে আম আদমি পার্টির ডাকা ধর্ণাতেও যোগ দেন তিনি৷

সেই ধর্ণাতে উপস্থিত ছিল মোদী বিরোধী অন্যান্য অনেক দল৷ গতকালই এই ধর্ণার পর শরদ পাওয়ারের বাড়িতে বৈঠকে বসেন বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীরা৷ আর রাত কাটতে না কাটতেই এবার সেই যন্তর মন্তরের কাছেই মমতার বিরুদ্ধে ধর্ণায় বসল চিটফান্ডকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা৷

পশ্চিমবঙ্গে চিটফান্ড কাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা বৃহস্পতিবার যন্তর মন্তরের সামনে ধর্ণায় বসে৷ ‘তৃণমূল সবথেকে বড় চিটফান্ড’ এমনই অভিযোগ তাদের৷ বুধবার বমোদী বিরোধী ধর্ণামঞ্চের কয়েক কিলোমিটারের মধ্যেই, বলা যায় ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এবার তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে ধর্ণায় বসেছে চিটফান্ডকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা৷ সারাদিন ধরেই তারা এখানে থাকবে এবং পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাদের অভিযোগও জানাবে৷

এদিকে, বুধবার মোদীবিরোধী ধর্ণার পরে শরদ পাওয়ারের বাড়িতে বৈঠক হয়৷ এই মহাবৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷

একই দিনে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে ঠিক কী আলোচনা হল তা নিয়ে বাড়ে কৌতূহল৷ বৈঠকের পরে সকলে সাংবাদিকদের সামনে আসেন৷ কেজরিওয়াল জানান, বুধবার ধর্ণার পর সকলে ফের দেখা করেন৷ বলেন, মোদী এবং শাহকে সরাতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে৷

রাহুল গান্ধী জানান, বৈঠক ইতিবাচক ছিল৷ বিভিন্ন সংস্থার ওপর হামলা হচ্ছে৷ একটি কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম করা হবে৷ তবে অন্যান্য কথা বললেও, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের প্রসঙ্গ তিনি এড়িয়ে যান বলে সূত্রের খবর৷ অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সকলেরই একটাই উদ্দেশ্য- মোদী সরকারকে সরানো৷