নয়াদিল্লি: যেভাবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে তাতে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। চলতি মাসেই গোটা দেশে ১৭ বার বৃদ্ধি পেতে দেখা গিয়েছে। আর এই তেলের দামের বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ গিয়ে পড়ছে কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। পেট্রোল ডিজেল হল এমন জিনিস যে গুলির দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়ে অন্যান্য পণ্যসামগ্রীর দামেও। লক্ষ্য করা গিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরি পার করেছে। এর ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামে প্রভাব পড়বে। এহেন পরিস্থিতিতে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারকে ফলে মুখ রক্ষা করতে উপায় খুঁজছে কেন্দ্র। সে ক্ষেত্রে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে পেট্রো পণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, এবার তারা পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন। যদিও তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়টিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন পণ্য পরিষেবা কর পর্ষদ বা জিএসটি কাউন্সিল। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনতে পারা গেলে তাতে সাধারণ মানুষের লাভ হবে। এই পথে পেট্রোল-ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করছেন। পাশাপাশি অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন এমনটা হলে রাজ্য সরকারগুলির আয় ধাক্কা খাবে কারণ ওই পেট্রো পণ্য থেকে রাজ্য সরকারের যে আয় হয় সেটা কমে যাবে।এই জন্য পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী জিএসটি কাউন্সিলের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, পেট্রোপণ্যকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জিএসটির আওতায় আনার। মার্চ মাসে জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠক রয়েছে ।

ধর্মেন্দ্র প্রধান ইতিমধ্যেই জানিয়ে ছিলেন, পেট্রোপণ্য উৎপাদনকারী দেশ গুলির কূটনৈতিক লাগাতার দাম বৃদ্ধি আজকের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন ওইসব তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি এখন তুলনায় অনেক কম তেল উৎপাদন করছে। ফলে চড়চড় করে বাড়ছে তেলের দাম। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশা দ্রুত এই পরিস্থিতি বদলে যাবে।তাছাড়া করোনার জেরে হওয়া মহামারী পরিস্থিতিকেও তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে দায়ী করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।