সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : সামনে ধনতেরস। টেলিভিশন থেকে পত্র পত্রিকায় ভরে যাচ্ছে সোনা, রূপো কেনার লোভনীয় অফারে। কিন্তু মন মজছে না ক্রেতার। এমনটাই জানা যাচ্ছে বাজার সূত্রে। সোনা ব্যবসায়ী তপেন্দু রায় জানালেন, ‘গত বছরের তুলনায় ৫০ শতাংশ মার্কেট নেই। মানুষের হাতে পয়সা নেই তা নয়। পয়সা আছে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। মানুষ প্যানিক করছে। আসলে মানুষ খরচা করতে চাইছে না। যেটুকু সেল হয়েছে তা আগে হয়ে গিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যা বিক্রি হচ্ছে সেগুলো নতুন কাস্টমার নয় বা বলতে পারেন রানিং কাস্টমার নয়। যারা ধরুন আগেই টাকা জমিয়ে রেখেছিল তারাই আবার সেটা থেকে একটু আধটু কিনছে।’ Comphonex Jewellery নামে একটি সোনার দোকানের তরফে জানা যাচ্ছে , ‘মানুষ এখন সোনা ভাঙাচ্ছে। নতুন সোনার জিনিস কিনছে না। আগে যে একটা রানিং কাস্টমার থাকত , মূলত এই ধনতেরসের সময়টা বা তার কিছু আগে থেকেই সেটা এবারে একদমই নেই।’

কবে ফিরতে পারে সোনার বাজারের হাল? কবে ফের সাহসী হবেন নিউ নর্মালের জনতা? ব্যবসায়িরা মনে করছেন, খুব বেশি হলে ডিসেম্বর। তারপরে অবস্থার পরিবর্তন হবেই। তাঁরা এও মনে করছেন ট্রেন চালু হলে তাঁরা আরও বেশি লাভবান হবেন।

ভ্যাক্সিনের দিকেও তাকিয়ে রয়েছেন অনেক ব্যবসায়ি। কারন সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভয় কাটলে তবেই না মানুষ এগিয়ে এসে গয়না গড়াবেন। এমনটাই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি এখন দামও প্রচুর বেশি হয়ে গিয়েছে সোনার। ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ৫১ হাজার হয়ে গিয়েছে। ২৪ ক্যারেটের দাম ৫৪ হাজার টাকা ছুঁয়েছে। সব মিলিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ধনতেরসেরে আগে ঘোর সমস্যায় তা স্পষ্ট। তাকিয়ে রয়েছেন নতুন বছরের দিকে।

কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের এয়োদশী তিথিতে হয় ধনতেরাস৷ ধনতেরাসের শুভ লগ্নে সমৃদ্ধি কামনায় গৃহস্থ বাড়িতে কেনা হয় মূল্যবান ধাতু ৷ বলা হয় যে, ধনতেরাসে দিনে মূল্যবান ধাতুর জৌলুসে আকৃষ্ট হয়ে মা লক্ষী স্বয়ং আসেন গৃহস্থের বাড়িতে। আর সমৃদ্ধি লাভের জন্যই ধাতু কেনার প্রচল এই সময়৷ কিন্তু ধনতেরাস মানেই কী সোনা কিনতে হবে? শাস্ত্রমতে, এই সময় নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী, যেকোনও শুদ্ধ ধাতুই কেনাই মঙ্গলজনক৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I