লখনউ: বহু প্রতীক্ষিত ধানিপুর মসজিদ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ আজ থেকে শুরু হতে চলেছে অযোধ্যায়। খবরে প্রকাশ, বৃক্ষরোপনের ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন (আইআইসিএফ) যে নকশা প্রকাশ করেছিল তা অনুসারে, মসজিদটি বাবরি মসজিদের মতো আকারের হবে। কিন্তু অন্যান্য মসজিদের তুলনায় এর কাঠামোর আকার অনেকটাই আলাদা।

উত্তরপ্রদেশ সুন্নি কেন্দ্রীয় ওয়াকফ বোর্ড দ্বারা গঠিত আইআইসিএফ ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে যে ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসে এই প্রকল্পের সূচনা উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারিত হয় সকাল সাড়ে ৮ টায়। প্রকল্পের পাঁচ একর জমিতে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। তারপর প্রধান ট্রাস্টি এবং আইআইএফএফের সদস্য ট্রাস্টিরা বৃক্ষরোপন করবেন। গোটা এলাকা জুড়ে থাকবে গাছপালা। অ্যামাজন রেইন ফরেস্ট থেকে অস্ট্রেলিয়া দাবানল- বিশ্বের বিভন্ন জায়গা থেকে যখন গাছ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার খবর আসছে তখন ভারত এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার জন্য ও জলবায়ু পরিবর্তন উত্থাপিত করার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের প্রথম ছবিগুলি আইআইএফসি গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর প্রকাশ করেছিল। ট্রাস্টের সচিব এবং মুখপাত্র অথর হুসেন নিশ্চিত করেছেন যে ধানিপুর মসজিদ প্রকল্পে একটি হাসপাতাল, একটি সংগ্রহশালা, একটি গ্রন্থাগার, একটি কমিউনিটি কিচেন, ইন্দো-ইসলামিক গবেষণা কেন্দ্র, একটি প্রকাশনা ঘর ও একটি মসজিদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অযোধ্যার ধানিপুর গ্রামে ১৫ হাজার বর্গফুটের একটি মসজিদ নির্মিত হবে। এটি বাবরি মসজিদের আকারের সমান হবে। কিন্তু মসজিদের আকৃতি অন্য মসজিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এর ব্লুপ্রিন্টে যদিও মিনারযুক্ত একটি বৃত্তাকার মসজিদের কথা বলা হয়েছে কিন্তু প্রকল্পের আর্কিটেক্ট এস এম আক্তার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এটি সৌদি আরবের মক্কার কাবা শরীফের মতো বর্গাকার আকারের হতে পারে।

ট্রাস্টের সচিব আথার হুসেন বলেছেন, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সময় ‘বিদ্রোহের বাতিঘর’ হিসাবে পরিচিত মৌলভী আহমাদুল্লাহ শাহের নামানুসারে এই মসজিদের নামকরণ হতে পারে। ট্রাস্ট গঠনের পরে, মসজিদটির নাম মুঘল সম্রাট বাবর বা অন্য কোনও নাম দেওয়া উচিত কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রসঙ্গত বাবরি মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছিল বাবরের নামে। অযোধ্যা মসজিদ প্রকল্পকে সাম্প্রদায়িক ভ্রাতৃত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতীক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ট্রাস্ট এই প্রকল্পটি শাহকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি ইসলামের সত্যের অনুসারী ছিলেন। ভ্রাতৃত্ব ও দেশপ্রেমের মূল্যবোধ তাঁর কাছে প্রধান ছিল।

সুপ্রিম কোর্ট ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর অযোধ্যার বিতর্কিত স্থানে রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয়। কেন্দ্রকে একটি নতুন মসজিদ নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর বিকল্প বিকল্প জমি বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। এরপর উত্তরপ্রদেশ সরকার অযোধ্যার সোহাল তহসিলের ধানিপুর গ্রামে পাঁচ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর মসজিদটির নকশা প্রকাশ করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।